নয়াদিল্লি: ভালোবাসার দিনের পরেই ধ্বংস হতে পারত পৃথিবী। বরাত জোরে রক্ষা পেল মানব সভ্যতা। শনিবার পৃথিবীর কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেল একটি গ্রহাণু।

নাসা জানিয়েছে, তীব্র গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসছিল একটি বিশাল আকারের গ্রহাণু। শনিবার ভোর ছটা ৫ নাগাদ সেটি পৃথিবীর কানঘেঁষে বেরিয়ে যায়। রক্ষা পায় পৃথিবী। নাসা জানিয়েছে, পৃথিবী থেকে ৫.৭৭ মিলিয়ন কিলোমিটার দূর থেকে চলে গিয়েছে ওই গ্রহাণুটি ফলে বিপদ হয়নি।

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণু আকারে যে কোনও ইমারতের থেকে বিশাল বড়। এই ‘ক্ষতিকারক’ গ্রহাণু পৃথিবীর স্থলভাগে আঘাত হানলে পুরো একটা মহাদেশ ধ্বংস হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। এটি চওড়ায় ছিল ১ কিলোমিটার। ঘণ্টায় গতিবেগ ছিল ৫৪,৭১৭ কিলোমিটার।

এই গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ হলে কয়েক লক্ষ মানুষের মৃত্যু ছিল একেবারে অবধারিত। পৃথিবী থেকে মানব সভতা মুছে যাওয়ার আশঙ্কাও ছিল। তবে আসল কথা, তেমন কিছুই হয়নি। রক্ষা পেয়েছে প্রিয় পৃথিবী।

উল্লেখ্য, কোটি কোটি বছর আগে এর চেয়েও বড় গ্রহাণুরা ক্রমান্বয়ে পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা খেত। পরে আকাশগঙ্গার পরিস্থিতি শান্ত হয়ে ধীরে ধীরে জলবায়ুর বিরাট পরিবর্তন হয়ে এই পৃথিবীর সৃষ্টি হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।