স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: অমাবস্যার রাতে বাড়িতে ‘নরবলি’ দেওয়ার অভিযোগ স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের বিরুদ্ধে৷ কোনক্রমে পাঁচিল টপকে পালিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচালেন বৃদ্ধ। এমন ভয়াবহ অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হলেও পালিয়েছে বৃদ্ধের ছেলে।

বীরভূমের সাঁইথিয়ার দশ নম্বর ওয়ার্ডের শিবতলা এলাকার বাসিন্দা সুধাকর সুত্রধর৷ পড়শিরা গত একবছর ধরে জানতেন বৃদ্ধ সুধাকর বৃন্দাবন গিয়েছেন নামগান করতে। পড়শিদের এমনটাই বলেছিলেন বৃদ্ধর বাড়ির লোকজন। কিন্তু শুক্রবার বৃদ্ধ বাড়ির পাঁচিল টপকে বাইরে এসে জানিয়েছেন অন্য কথা। তাঁরঅভিযোগ, গত একবছর ধরে তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। অমাবস্যার দিন দেখে তাঁকে বলি দিচ্ছিল স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলে মিলে।

জানা গিয়েছে যে সুধাকর সূত্রধর নিজে নিজে বৈষ্ণব হলেও তার স্ত্রী ছেলে মেয়ে শাক্ত। ঘরে তারা শ্মশানকালী প্রতিষ্ঠা করেছে । দীর্ঘ দিন ধরে ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়েছে সুধাকর সূত্রধরকে। অমাবস্যার দিন তাকে বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই বৃদ্ধ। ধৃতরা বলির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পুলিশ জানায় যে এই ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করে গ্রেফতার করেছে তার স্ত্রী সরস্বতী ও মেয়ে কাঞ্চন সূত্রধরকে। তার ছেলে ব্রজগোপালপালিয়ে যায়। বীরভূম জেলার পুলিশ সুপার শ্যাম সিং যাদব জানিয়েছেন যে অভিযোগ পত্রে কোথাও নরবলি দেওয়ার চেষ্টার উল্লেখ করা হয়নি। ওই বৃদ্ধের অভিযোগ যে তাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে । ওই বৃদ্ধের স্ত্রী ও মেয়েকে গ্রেফতার করা হয়েছে । তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।