ওয়াশিংটন: ফের খসে পড়ল একটি তারা অর্থাৎ খসে পড়ল উল্কাপিণ্ড। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তারা খসে পড়ায় আমেরিকা থেকে শুরু করে কানাডার বেশ কিছু শহরে দেখা মিলল এক উজ্জ্বল আলোর। অনেকেই কয়েক সেকেন্ডের সেই দৃশ্যের ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছেন। সোনিক বুম নামের এই প্রক্রিয়ার ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

আমেরিকার মেটিওর সোসাইটির রিপোর্ট অনুসারে, ভার্জিনিয়া, অন্টারিও, নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন, মেরিল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি শহরের প্রায় দেড় শতাধিক লোক জানিয়েছে যে তারা এতজোরে শব্দ শুনেছে যে মনে হয়েছে তাদের বাড়ির ছাদেই বুঝি কিছু পড়ল। কয়েকজন তো জানিয়েছে, তাঁদের মনে হচ্ছিল বুঝি বা পৃথিবীটাই ভেঙে পড়েছে।

আরও পড়ুন – কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ভারত বনধের ডাক, দিল্লি বিচ্ছিন্ন করার হুমকি

বেকা গুনার নামের এক মহিলা জানিয়েছেন, ওই সময় তিনি নিউইয়র্কে কুকুরকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটছিলেন। তখন কপাল জোরে তার ফোনের ক্যামেরায় উল্কা খসে পড়ার দৃশ্য রেকর্ড করেন তিনি। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমার গায়ের লোম খাড়া হয়ে গিয়েছে। আপনি জীবনে আবার এমন জিনিস দেখার সুযোগ নাও পেতে পারেন।

নাসার একটি শাখা সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে, এই উল্কাপিণ্ডটি প্রতি ঘন্টা ৫৬ হাজার মিটার গতিবেগে জাচ্ছিউল, সেসময় এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। এরপরেই সেটি পৃথিবীপৃষ্ঠের ২২ মাইল আগে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটির উপরে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যায়। যার জেরেই দেখা যায় উজ্জ্বল আলো। আর তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।