হায়দরাবাদ: ফের হায়দরাবাদেই তরুণীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য় ছড়াল৷ মাস কয়েক আগেই হায়দরাবাদের সামসাবাদে এক তরুণী পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর আধপোড়া মৃতদেহ একটি কালভার্টের নিচে থেকে উদ্ধার হয়৷

পরে ঘটনার পুর্ননির্মাণ করতে এলে চার ধর্ষক পালানোর চেষ্টা করে৷ এনকাউন্টারে চারজনকেই খতম করে পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই হায়দরাবাদে ফের তরুণীর রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল৷

হায়দরাবাদের কাছে চেভাল্লায় একটি কালভার্টের নিচে মেলে তরুণীর নগ্ন রক্তাক্ত মৃতদেহ। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচলতি কয়েকজন প্রথম তরুণীর দেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে ওই মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তরুণীর হাত বাঁধা ছিল ও তাঁর মুখ থেঁতলে বিকৃত করে দেওয়া হয়েছিল৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত তরুণীর পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত খুনের কারণ স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছেও৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ দোষীদের খুঁজে বের করতে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ৷ এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷

এদিকে, মাসখানেকের ব্যবধানে ফের হায়দরাবাদে তরুণী খুনের ঘটনায় টেক-সিটিতে আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠেছে৷ শহরবাসীর একাংশের অভিযোগ, কয়েকমাস আগে তরুণী খুনের পর পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিল৷ কিন্তু পুলিশি সেই আশ্বাসের পরেও ফের তরুণীর দেহ উদ্ধারে নতুন করে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন শহরবাসী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।