মুম্বই- বলিউডের সঙ্গে গ্যাংস্টার দুনিয়ার সম্পর্ক যেন ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন রকমের দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার মধ্যেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে ঘটনায় গ্যাংস্টার মাফিয়া যোগ রয়েছে কিনা। আর এর মধ্যেই বলিউডে আরো একটি ঘটনা স্পষ্ট করে দিল যে মুম্বইয়ের টিনসেল টাউনে নজর রয়েছে গ্যাংস্টার জগতের।

সম্প্রতি মুম্বইয়ের এক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গিয়েছে যে সলমন খানকে হত্যা করার ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা। এই করোনা আবহের মধ্যেই এমন পরিকল্পনা করেছিল তারা। জানা যাচ্ছে এই দুষ্কৃতীরা নিয়মিত সলমন খানের বান্দ্রার বাড়ির উপর নজর রাখত। সলমন বাড়ি থেকে কখন বেরোন বা আসেন সমস্তকিছুই নখদর্পণে ছিল এই দুষ্কৃতীদের। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ধোপে টেকেনি। পুলিশের জালে পড়েছে দুষ্কৃতীরা।

আর এই ঘটনার সঙ্গে গ্যাংস্টার লরেন্স বিসনই এর যোগ রয়েছে বলে পুলিশ এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে। গত ১৫ আগস্ট একজন বন্দুকবাজকে গ্রেফতার করেছে ফরিদাবাদ পুলিশ। সেই বন্দুকবাজের নাম রাহুল।

ফরিদাবাদ পুলিশের ডিসিপি জানিয়েছেন যে, গত জানুয়ারি মাস থেকেই সলমন খানের উপর নজর রাখা হচ্ছিল। এবং গ্যাংস্টার লরেন্স অভিনেতার উপর নজর রাখতে বলেছিল রাহুলকে। সুযোগ বুঝে সলমনকে হত্যা করার নির্দেশ ছিল তার উপর। রাহুল ছাড়াও আরও চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রাহুলের থেকে গুলি ভরা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ এবং জানা গিয়েছে যে লরেন্স তাকে এই খুনের নির্দেশ দিয়েছিল। এর আগেও সলমন কে হত্যা করার পরিকল্পনার খবর প্রকাশে এসেছে। লরেন্সের সঙ্গে তার শত্রুতার খবরও বলিউডের অনেকেরই জানা।

প্রসঙ্গত লকডাউনে নিজের পানভেলের ফার্ম হাউসে ছিলেন সালমান খান। সেখানে চাষের কাজ করছিলেন তিনি। তার সঙ্গে সেই বাড়িতে ছিলেন জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, ইউলিয়া ভান্তুর, সহ আরো অনেকে। জ্যাকলিনের সঙ্গে একটি মিউজিক ভিডিও করেন সলমন এই লকডাউনে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।