ফাইল ছবি

চন্ডীগড়: সাতসকালে ভয়াবহ পরিস্থিতি৷ দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল একটি জামা কাপড়ের কারখানা৷ জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে লুধিয়ানায় নুরওয়ালা রোডে একটি জামাকাপড় তৈরির কারখানায় আগুন লেগে যায়৷ যা চোখের নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ১৬ টি দমকলের ইঞ্জিন৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে আগুন নেভানোর কাজ৷ কীভাবে এই আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়৷

ছবি সৌজন্যে- এএনআই

এর কয়েকদিন আগে, গত ৯ জুন রবিবার সকালে শিলচর স্টেশনে যারা ট্রেন ধরতে এসেছেন তাদের সামনেই ঘটে যায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড৷ দাউদাউ করে জ্বলে উঠেছে শিলচর-তিরুঅনন্তপুরম এক্সপ্রেসের একটার পর একটা কামরা৷ আতঙ্কে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে শুরু করেন যাত্রীরা। এমনটাই ছিল সেদিনের শিলচর স্টেশনের চিত্র৷ হঠাৎই আগুন ধরে যায় শিলচর-তিরুঅনন্তপুরম এক্সপ্রেসের তিনটি কোচে। গলগল করে বের হতে থাকে ধোঁয়া। অনেকেই ভেবে বসেছিলেন ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা প্রাণ নিয়েছে কোচের ভিতরে থাকা যাত্রীদের। প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়৷ পরে আগুন নেভানো হওয়ার পর দেখা যায় কোনও জীবনহানি হয়নি৷

ট্রেনের প্যানট্রি কারেই প্রথম আগুন লাগে। তারপর ওই কোচ সংলগ্ন পাশের দুটি কোচে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আগুন। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন ভয়াবহতার চেহারা নেয় নিমেষেই। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে যায় দমকল৷ SDRF কর্মীরাও যান। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ভারতের দ্বিতীয় দীর্ঘতম রেল সফর এই শিলচর-তিরুঅনন্তপুরম এক্সপ্রেস। মোট ৫৪ টি জায়গায় দাঁড়ায় এই এক্সপ্রেস৷ সফরে সময় লাগে প্রায় ৭৬ ঘন্টা ৩৫ মিনিট।

দুর্ঘটনা নিয়ে এদিন সকালেই ট্যুইট করেন শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেব। তিনি লেখেন, “এক্সপ্রেসের কোচগুলি শিলচর রেলওয়ে স্টেশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সৌভাগ্যক্রমে জীবনহানির কোনও খবর না মিললেও ঘটনাটি কিভাবে ঘটল তার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা আবশ্যক।”