ভোপাল: রাজনীতিতে দলবদল এখন রোজকার ব্যাপার। কেন্দ্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর ভর করে বিরোধী দলে ভাঙন ধরিয়ে সাংসদ, বিধায়কদের নিজেদের দলে টানছে বিজেপি। কর্ণাটকে জোট সরকারে ভাঙন ধরালেও মধ্যপ্রদেশে ছবিটা এখনও বিপরীত। বুধবার বিধানসভায় ক্রিমিনাল ল’ সংশোধনী বিল ২০১৯ কে সমর্থন জানিয়েছেন বিজেপির দুই বিধায়ক।

ঠিক এরপরই বিজেপির এক বিদ্রোহী বিধায়ক কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। অপর জন কংগ্রেসের দিকে পা বাড়িয়ে আছেন বলে বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ রাজনৈতিক টালবাহানার পরে মঙ্গলবার আস্থা ভোটে হেরে গিয়েছেন কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী। ফলে সে রাজ্যে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারের পতন হয়েছে। একইভাবে খুব শীঘ্রই মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকারের পতন হবে বলে মনে করছেন বিজেপি নেতারা।

এই প্রসঙ্গে বুধবার বিধানসভায় বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ ও বিরোধী দলনেতা গোপাল ভার্গভ। এই ঘটনা ঘটার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে সরকারের বিলকে সমর্থন জানান ২ বিজেপি বিধায়ক। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা হতবাক করেছে গেরূয়া শিবিরকে।

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় সরকারি বিলকে সমর্থন করা বিজেপি বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠী একসময় কংগ্রেসে ছিলেন। ২০১৪ সালে জার্সি বদলে তিনি বিজেপিতে নাম লেখান। ফের তিনি নিজের পুরনো দল কংগ্রেসে ফিরতে চলেছে বলে ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে বিক্ষুদ্ধ বিজেপি বিধায়ক সরোদ কোলও গেরূয়া শিবির ছেড়ে ‘হাত ধরার জন্য’ পা বাড়িয়ে আছেন বলে রাজনৈতিক মহলে খবর।

২৩০ সদস্যের কক্ষে ১২১টি আসন রয়েছে কংগ্রেসের দখলে। তার মধ্যে স্পিকার এন পি প্রজাপতি ভোটদানে বিরত ছিলেন। তা সত্ত্বেও দুই বিজেপি বিধায়কের ভোটে এদিন কংগ্রেসের সংশোধনীর পক্ষে ১২২টি ভোট পড়ল।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV