স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: জাতীয় মান উন্নয়ন কর্মসূচির একটি প্রতিনিধি দল ডিসেম্বরে জলপাইগুড়ি হাসপাতাল পরিদর্শন করতে আসবে৷ তার আগে বুধবার ওই হাসপাতাল পরিদর্শন করে দেখলেন রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পর্যবেক্ষণ বিভাগের আট সদস্যের দল৷ হাসপাতালের কোথাও কোনও খামতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেকেন তারা৷ সমস্যা থাকলে তা ডিসেম্বরের আগেই সমাধান করার নির্দেশ দেন তারা৷ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ডেপুটি সহকারী নির্দেশক ডাঃ সন্দীপ স্যানাল৷

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে দিল্লি থেকে জাতীয় মান উন্নয়ন কর্মসূচির একটি প্রতিনিধি দল আসবেন৷ তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করবেন। জলপাইগুড়ি হাসপাতালের মান দেখে সন্তুষ্ট হলে জাতীয় মান উন্নয়ন দফতরের সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে কেন্দ্রের কাছ থেকে৷ মিলবে কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তাও৷ বর্তমানে হাসপাতালে মোট শয্যা রয়েছে বারশোটি। ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব’-এ শয্যা সংখ্যা সাড়ে তিনশ৷

আরও পড়ুন: এক সঙ্গে তিন সন্তানের জনণী লুৎফা বিবি

প্রতি শয্যা পিছু বছরে প্রায় ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানা যায়৷ আর সেই টাকা হাসপাতাল উন্নয়নের কাজে লাগনো হবে৷ ইতিমধ্যে শিলিগুড়ি ও কোচবিহার হাসপাতাল এই সার্টিফিকেট পেয়ে গিয়েছে। এদিন হাসপাতালের ১৮ টি বিভাগ পরিদর্শন করেন রাজ্য স্বাস্থ্যব দফতরের প্রতিনিধিরা৷

জেলার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মান উন্নয়নের চেষ্টা চলছে প্রায় তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে৷ বুধবার সকালে দলটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে ‘মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব’-এ কর্মী ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা৷ লেবার ওয়ার্ডের পরিকাঠামো ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় তাঁরা খতিয়ে দেখেন৷ হাসপাতালের খামতিগুলি পূরণের জন্য সঠিক পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷

আরও পড়ুন: দুরন্ত গতি’র জেরে প্রাণ হারালো চার বছরে’র ডলফিন

জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে সুপার ডাঃ গয়ারাম নস্কর বলেন, ‘‘কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল জলপাইগুড়ি হাসপাতালে আসবে৷ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ তাঁরা পরিদর্শন করবেন৷ পরিদর্শনের পর যদি কোনও খামতি থাকে তা পূরণ করা হবে।’’

ডেপুটি সহকারী নির্দেশক ডাঃ সন্দীপ স্যানাল বলেন, ‘‘আমরা হাসপাতাল পরিদর্শন করলাম৷ হাসপাতালে গুণগত মান কিভাবে বাড়ানো যায় সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। যাতে কেন্দ্রের দলটি এসে এই হাসপাতালকে সার্টিফিকেট দিয়ে যায় এখন সেদিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’’