কলকাতা: ২০১৬ সালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কথা ফের মনে করিয়ে দিল রেড রোড৷ সেদিন প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াচের মহড়া চলার সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল বায়ুসেনার এক জওয়ানের৷ এবার কারও মৃত্যু না হলেও, কিভাবে পুলিশের দেওয়া গার্ডরেল ভেঙে রেড রোডে ঢুকে পড়ল গাড়ি, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন৷

সূত্রের খবর,মঙ্গলবার সকালে রেড রোডে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াচের মহড়া চলছিল কলকাতা পুলিশের৷ সেই সময় নীল রঙের একটি সেডান গাড়ি বেপরোয়াভাবে খিদিরপুরের দিক থেকে এসে ব্যারিকেড ভেঙে রেড রোডে ঢোকার চেষ্টা করে৷ যদিও এদিনের ঘটনায় কেউ জখম হয়নি৷ বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগে অরিত্র সান্যাল নামে গাড়ির চালককে গ্রেফতার করেছে ময়দান থানার পুলিশ৷ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটি৷

২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি রেড রোডে প্যারেডের মহড়া চলাকালীন একটি অডি গাড়ি ব্যারিকেড ভেঙে মহড়ার মাঝে চলে আসে এবং ওই গাড়ির নীচে চাপা পড়ে বায়ুসেনা আধিকারিক অভিমন্যু গৌড়ের মৃত্যু হয়৷ তারপর রেড রোডে প্রজাতন্ত্র দিবস কিংবা স্বাধীনতা দিবসের মহড়া চলাকালীন কড়া নজরদারি থাকার কথা। কিন্তু তারপরেও কিভাবে নজরদারি এড়িয়ে গাড়িটি ব্যারিকেড ভেঙে রেড রোডে ঢুকে পড়ল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷

তবে পুলিশ জানিয়েছে, অরিত্র কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র৷ এদিন ভোরে মায়ের গাড়ি নিয়ে জয়রাইডে বেরিয়েছিল সে৷ পুলিশি জেরার অরিত্র দাবি করেছে, ভুলবশত সে রেড রোডের দিকে গাড়িতে ঘুরিয়ে ফেলেছিল৷ শেষ মুহূর্তে গাড়িটি ঘোরানোর চেষ্টা করলেও আর কোনও উপায় ছিল না৷ তবে ব্যারিকেড ভেঙে রেড রোডের ভেতরে গাড়ি নিয়ে ঢোকার কোন উদ্দেশ্য তার ছিল না৷ ১৯ বছরের অরিত্র সান্যাল এর বাড়ি বন্ডেল রোডে৷ বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগ-সহ একাধিক ধারায় ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।