নয়াদিল্লি: ফের সরকার গড়ছে বিজেপি। ২৪ ঘণ্টা বাদেই দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তাঁর মন্ত্রিসভায় থাকবেন কারা? জল্পনা তৈরি হলেও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি এখনও। তবে সূত্রের খবর চূড়ান্ত হয়েছে সেই তালিকা।

দেশ জুড়ে সব বিজেপি ও শরিক দলের সাংসদরা অপেক্ষায় রয়েছেন, কখন তাঁদের কাছে আসবে ফোন। মোদী কিংবা অমিত শাহ, এঁদের মধ্যে কেউ ফোন করেই সুখবরটি দেবেন। এমনটাই আশা বিজেপি নেতাদের। ইতিমধ্যেই এই দুই নেতা তালিকা বানিয়ে ফেলেছেন বলেই খবর।

মঙ্গলবার মোদী ও অমিত শাহ রুদ্ধদ্বার বৈঠক সেরেছেন। পাঁচ ঘণ্টার বৈঠক হয় দু’জনেই। সেখানেই মন্ত্রীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে বলে খবর।

গত শনিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সব বিজেপি নেতাদের সতর্ক করেছেন, যাতে তাঁরা কোনও জল্পনায় পা না দেন। দিল্লিতে ডেকে পাঠানোর ফেক কল যেতে পারে বলেও ওয়ার্নিং দিয়েছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন মন্ত্রীদের সম্ভাব্য নাম উঠে আসছে। কিন্তু সেগুলি বিশ্বাস না করার কথা বলেছেন মোদী। আর ধরে নেওয়া যাচ্ছে, ফাইনাল কল আসবে মোদী কিংবা শাহের থেকেই।

ইতিমধ্যেই মন্ত্রিত্ব থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন অরুণ জেটলি৷ চিঠি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি৷

প্রথম মোদী মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন জেটলি৷ কিন্তু গত দেড় বছর ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি৷ তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপন হয়৷ ফলে গত কয়েক মাস তিনি অর্থমন্ত্রকে নিয়মিত ছিলেন না৷ তাই তাঁকে যেন মন্ত্রিত্বের মতো গুরু দায়িত্ব না দেওয়া হয়৷ এদিন প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে সেই আবেদনই করেন অরুণ জেটলি৷ এছাড়া সুষমা স্বরাজও শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোটে লড়েননি এবার।

এদিকে আগের মন্ত্রীদের অনেকেই থাকবেন এবারও। সঙ্গে অবশ্য বাংলার কয়েকজন সাংসদের নাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা। কারণ বাংলায় এবার অভাবনীয় ফল করেছে বিজেপি। মোদী-অমিত শাহের মুখেও বারবার শোনা যাচ্ছে বাংলার নাম। তাই দিলীপ ঘোষ কিংবা লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মন্ত্রী হওয়ার জল্পনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।