অরুণাভ রাহারায়, কলকাতা: শুক্রবার মোহরকুঞ্জে শুরু হল নবম বাংলাদেশ বইমেলা। মেলা উপলক্ষ্যে কলকাতায় বইয়ের সম্ভার নিয়ে এসেছে বাংলাদেশর আশিটি প্রকাশনা সংস্থা। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট বসেছিল। শুরুতে মাহালি আদিবাসী নাচের মধ্যে দিয়ে অতিথি বরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন কবি শঙ্খ ঘোষ, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ. কে. আব্দুল মোমেন। এ দিন মঞ্চে প্রকাশিত হয় এ. কে. আব্দুল মোমেনের লেখা চারটি বই।

তিনি বলেন, “বাংলা ভাষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দরকার বাংলদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের সম্মিলিত উদ্যোগ। এমন বইমেলা দুই দেশের পারস্পরিক যোগাযোগের চমৎকার প্ল্যাটফর্ম। এই সুন্দর আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ। গত ৮ বছর ধরে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলা সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনার জন্য আমি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কলকাতা পৌরসভাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।” উপস্থিত ছিলেন কলকাতার মেয়র ইন কাউন্সিল দেবাশিস কুমার। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে বাংলাদেশ বইমেলার প্রস্তাব আসা মাত্র আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করি। এই মেলা পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের সম্প্রীতির উৎসব।” ১০ নভেম্বর পর্যন্ত মোহরকুঞ্জে বাংলাদেশ বইমেলা চলবে।

প্রথম দিনই মেলায় পাঠকের সমাগম লক্ষ্য করা গিয়েছে। খুশি বাংলাদেশর প্রকাশকরা। মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশর বিভিন্ন প্রকাশনার গুরুত্বপূর্ণ বইপত্র। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার অন্যতম কর্মকর্তা সুধাংশু শেখর দে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ বইমেলা বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের এখানে হয়ে আসছে। দু’বছর ধরে মোহরকুঞ্জে অনুষ্ঠিত হলেও আগে রবীন্দ্রসদনে হত। কলকাতা বইমেলাতেও বাংলাদেশের জন্য একটা বড় প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ থাকে।

এবার এই বইমেলায় আশিটি প্রকাশনা অংশগ্রহণ করেছে। খুব আনন্দ হচ্ছেে এই ভেবে, মেলা উপলক্ষ্যে কলকাতায় বাংলাদেশর অনেক বই পাওয়া যাচ্ছে।” অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশউপ-হাই কমিশনার তৈফিক হাসান। মেলা উপলক্ষ্যে প্রতিদিন চলবে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলার আয়োজক বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল সমিতি। সহযোগিতায় বাংলাদেশর রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহযোগিতায় ভাষা ও চেতনা সমিতি।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প