নয়াদিল্লি: বিরোধীদের ষাঁড়াশি চাপে অবশেষে মাথা নোয়াল কেন্দ্র। শনিবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। লকডাউনের জেরে কত জন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে সেব্যাপারে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বড়সড় বিতর্ক তৈরি করেছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার।

লকডাউনের সময় কতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে তার কোনও হিসেব সরকারের কাছে নেই বলে সংসদে জানিয়েছিলেন তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ওই মন্তব্যের তুমুল সমালোচনা করেন বিরোধীরা।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোদী সরকার ব্যর্থ বলে বারবার আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর ব্যাপারে কেন্দ্রের কাছে কোনও তথ্য নেই একথা জানার পর সুর আরও চড়ন রাহুল।

টুইটে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, ‘‘মোদী সরকার জানেই না লকডাউনে কতজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কতজন কাজ হারিয়েছে। আপনি গণনা করেননি বলে কেউ মারা যাননি? দুঃখের বিষয় হল এই সরকারের কাছে মানুষের মৃত্যু গুরুত্ব পায় না। গোটা বিশ্ব দেখেছে পরিযায়ী শ্রমিকরা মারা যাচ্ছে অথচ মোদী সরকারের কাছে কোনও খবর নেই।’’

দিন কয়েক আগে মোদীর আত্মনির্ভর ভারত অভিযান সংকল্প নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। টুইটে তিনি লিখেছিলেন,” নিজেদের জীবন নিজেরাই বাঁচান কারণ প্রধানমন্ত্রী ময়ূর নিয়ে ব্যস্ত।”

সংসদের বাদল অধিবেশনে প্রথমে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, কত জন মারা গিয়েছেন সেই পরিসংখ্যান নেই। সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কেন্দ্রীয় সরকার লকডাউনে কাজ হারানো শ্রমিক ও তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু সংক্রান্ত কোনও তথ্য দিতে না পারায় বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি এনডিএ-র শরিক দলগুলিও বিস্ময় প্রকাশ করে।

কংগ্রেসের পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদরাও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের ব্যাপারে কেন্দ্রের কাছে কোনও তথ্য না থাকা নিয়ে সরব হন। তবে এবার বিরোধী দলগুলির লাগাতার সমালোচনার জবাব দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বাড়ি ফেরার পথে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।