জয়পুর: রাজস্থানে অটুট গেহলটের দুর্গ। দলের ৯৭ বিধায়কই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন। প্রত্যেকেই গেহলটের বাড়িতে ডাকা জরুরি বৈঠকে সোমবার যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের নিয়েই বর্ষীয়ান রাজনীতিবদ বোঝালেন, উপ মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলট রাজ্য সরকারকে অস্বস্তিতে ফেললেও তাতে চিড় ধরেনি কংগ্রেসের দুর্গে।

সচিন পাইলট বিদ্রোহ ঘোষণা করতেই তীব্র অস্বস্তিতে পড়ে যান রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। মূলত তাঁর সঙ্গেই একাধিক বিষয়ে দূরত্ব তৈরি হয় উপ মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলটের। এমনকী দল ছাড়াও ইঙ্গিত মেলে সচিনের তরফে।

দিল্লি গিয়ে বন্ধু তথা বর্তমান বিজেপি নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে দেখাও করেন সচিন। রাজস্থানের এই কংগ্রেস নেতার বিজেপি যোগ জল্পনা আরও জোরালো হয়। এদিকে, সচিনের সঙ্গে ৩০ বিধায়ক থাকার খবরে অস্তস্তিতে পড়ে যান মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট।

পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তড়িঘড়ি সোমবার সকালেই নিজের বাসভবনে বৈঠক ডাকেন তিনি। সেই বৈঠকে রাজস্থানে কংগ্রেসের মোট ১০৭ বিধায়কের মধ্যে ৯৭ জন হাজির ছিলেন। রাজস্থান কংগ্রেস অটুট রয়েছে। কোনও ফাটল ধরেনি, বৈঠক শেষে জানান কংগ্রেস নেতারা। এদিকে, সচিন পাইলটের সঙ্গে রাজস্থানের ১০ কংগ্রেস বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

যদিও সচিনকে ঘরে ফেরাতে তৎপরতাও শুরু হয়েছে কংগ্রেসে। বিরোধ থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে মেটানোর বার্তা দিয়েছেন কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা। তিনি জানিয়েছেন, সচিনের জন্য দরজা খোলাই রাখছে কংগ্রেস।

পরিবারের কোনও সদস্যের ক্ষোভ থাকলে পরিবারের বাকিদের সঙ্গে বসে ঠিক করতে হবে। সোনিয়াজি ও রাহুলজির তরফে বলতে চাই, সচিনজি ও অন্যান্য বিধায়কের জন্য দলের দরজা খোলা রয়েছে। সমস্যা থাকলে কথা বলে তার সমাধান করুন। অন্যদিকে, সচিন পাইলট নিজেও জানিয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা তাঁর নেই।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ