বালুরঘাট: বয়স ৯৫ বছর৷ একদমই হাঁটতে পারেন না৷ তবুও ভোট দিতে ভুললেন না নবতিপর বৃদ্ধ৷ এই বয়সেও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন দেবেন্দ্র শীল৷ বালুরঘাটে ভোট দিলেন তিনি৷

মঙ্গলবার ছেলে বিকাশ চন্দ্র শীলের সঙ্গে অশোক গ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে আসেন ভোট দিতে৷ বয়সজনিত অসুখে চলাফেরা একেবারে করতে পারেন না৷ তাই ছেলে তাঁকে পিঠে করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসেন৷ সকলের সহযোগিতায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বুথে৷ সেখানে ভোট দেন৷ আবার ছেলের পিঠে করেই বাড়ি ফিরে যান৷

এদিন রাজ্যের পাঁচটি লোকসভা আসনের সঙ্গে বালুরঘাটেও ভোটগ্রহণ হয়৷ সকাল থেকে বালুরঘাটের নানা জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত হিংসার খবর মেলে৷ কোথাও ইভিএম মেশিন খারাপ তো কোথাও বিজেপি এজেন্টদের বুথে ঢুকতে না দেওয়া৷ সব মিলিয়ে অরজগতা সৃষ্টি হয় বালুরঘাটে৷ অভিযোগ বিরোধীদের৷ এবার বালুরঘাটে তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ, কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করছেন আব্দুস সাদেক সরকার, বামফ্রন্ট প্রার্থী রণেন বর্মন ও বিজেপির টিকিট পেয়েছেন ডঃ সুকান্ত মজুমদার৷

দলের লোকেদের ভুলভ্রান্তির কারণে ২০১৬’র বিধানসভা নির্বাচনে দাক্ষিণ দিনাজপুরের মাত্র দুটি আসন পেয়েছিল তৃণমূল। চারটিতে জয়ী হয়েছিল অন্যরা। কিন্তু যে চারজনকে সেবার জেতানো হয়েছিল তাঁরা কেউই কোন কাজ করেননি। দক্ষিণ দিনাজপুরে উন্নয়নমূলক যত কাজ হয়েছে তার সবটাই তৃণমূল করেছে।

এমনটাই দাবি করেছিলেন বালুরঘাট কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী অর্পিতা ঘোষের হয়ে প্রচারে আসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তাই এবারেও বালুরঘাট কেন্দ্র থেকে ফের অর্পিতা ঘোষকে জেতানোর জন্য জেলার মানুষের কাছে আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে এখন শুধু অপেক্ষা ২৩ মে৷ দেখার বিষয় বালুরঘাট কেন্দ্রে শেষ হাসিটা তৃণমূল হাসতে পারে কিনা৷