নয়াদিল্লি: দেশে অনেকটা নীচে নামল করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হলেন ৯ হাজার ১০২ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১৭ জনের।

নয়া সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার ৮৩৮ জন। এর মধ্যে অবশ্য অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে মাত্র ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৬ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছে ১ কোটি ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৯৮৫ জন।

আরও পড়ুন – কৃষি আইনের প্রতিবাদে কয়লা খনি অঞ্চলেও ট্রাকটর মিছিল

দেশে মোট এখন অবধি মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৮৭ জন। এরমধ্যে শেষ ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১১৭ জনের। দেশে এখন অবধি মোট ২০ লক্ষ ২৩ হাজারের বেশি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যেই কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে। টিকাও নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু এই দুটি ভ্যাকসিন ছাড়া আর কোনও ভ্যাকসিন ভারতে ছাড়পত্র পাননি। এবার টাটা গ্রুপের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ নতুন ভ্যাকসিন ভারতে আনার পরিকল্পনা করছে। তাই অংশীদারিত্বের জন্য মডার্না ইনকের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে। সোমবার এই খবর জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন – রাজপথে ব্রহ্মস-তেজসের ঝলকানি, আকাশে শক্তি দেখাবে রাফায়েল

মডার্নার ভ্যাকসিন পরীক্ষার্থীর ক্লিনিকাল ট্রায়াল সম্পাদনের জন্য টাটা মেডিক্যাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস ভারতের বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিলের সঙ্গেও কথা বলেছে। একটি রিপোর্টে এই খবর প্রকাশ পেয়েছে। মডার্না অবশ্য তার ব্যবসায়িক ক্ষেত্র নিয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি। বাইরের কোনও কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসার খাতিরে গাঁটছড়া বাঁধা হয়েছে কিনা তাও বলেনি।

অন্যদিকে টাটা মেডিক্যাল ও ডায়াগনস্টিকসও এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। নিয়ম অনুযায়ী ফাইজারের ভ্যাকসিন মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা নীচে রাখতে হবে। মডার্নার ভ্যাকসিন সাধারণ ফ্রিজের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যাবে না। এটি ভারতের মতো দরিদ্র দেশগুলির ক্ষেত্রে অনেকটাই অনুপযুক্ত। কারণ এখানে ঠান্ডার শৃঙ্খলা সীমিত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।