থিম্পু: প্রতিবেশী ভারতে এখন করেনার বড়সড় হামলা চলছে। ভারত সীমান্তের চারটি রাজ্য এবং চিনের সঙ্গে লেপটে থাকা ভুটান বেশ নিরাপদ। টানা তিন মাসের বেশি লড়াই করে ড্রাগনভূমি তথা বজ্র ড্রাগনের দেশ এখনও করোনায় মৃত্যুহীন।

এই অভিনব সাফল্যের মাঝে আরও এক চমকপ্রদ দাবি ভুটানের। বলা হলো, দেশে ৮৪ জন করোনা আক্রান্তের মধ্যে ৭৮ জনই সেরে উঠেছেন। সুস্থতার হার ৯০ শতাংশের বেশি। করোনাসুরের ভয়াল হামলা যেন এখানেই মুখ থুবড়ে পড়ছে। মঙ্গলবারের সর্বশেষ করোনা পরিস্থিতি রিপোর্টে ভুটান স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবির পরেই আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করল।

ভুটানের সংবাদ সংস্থা বিবিএস ও চিনা সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া জানাচ্ছে করোনা মোকাবিলায় অভূতপূর্ব কর্মকাণ্ড হচ্ছে দেশটিতে। রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুক ও প্রধানমন্ত্রী ড. লোটে শেরিংয়ের নেতৃত্বে করোনা রুখতে দুর্গম এলাকাতেও চলছে বিশেষ পরীক্ষা।

কড়া নিয়ম জারি করে জনগণকে সর্বোত্তম জীবাণুনাশক কর্মসূচির আওতায় আনতে পেরেছে ভুটান। আর প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের করোনা পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই দুই ভারতীয় রাজ্যতে করোনার বড়সড় হামলা।

থিম্পু থেকে বলা হয়েছে, সরকার দশম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সব বিদ্যালয় তোলে। গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে এই নিয়ম। বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস চলছে।

সেই সঙ্গে জারি হয়েছে সতর্কতা। ভারত লাগোয়া দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলিতে যারা বাস করেন তাদের শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ও অন্যান্য স্বাস্থগত বিধি মেনে চলতেই হবে।

চিন ও ভারতের মাঝে ছোট দেশ ভুটান। করোনার হামলা চিনে শুরু হতেই নিজেদের রক্ষায় তৎপর হয় এই দেশ। সেই চেষ্টা এমনই আকার নেয় যে করোনাকে বজ্র আঁটুনিতে বেঁধে রাখা হচ্ছে। তবে যে সব ভুটানি বিদেশ থেকে ফিরছেন তাদের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে বলেই জানাচ্ছে সরকার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ