বেজিং: করোনা ভাইরাসের সূত্রপাত হয়েছিল চিনের উহান শহর থেকে। সেখানে এখন মারণ ভাইরাস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। তবে করোনার ফল এখনও ভুগছে সেখানকার মানুষ। জানা গিয়েছে, সেখানকার ৯০ শতাংশ করোনা আক্রান্তই এখনও ভুগছে নানা সমস্যায়।

বুধবার এমনই একি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, উহানের ৯০ শতাংশ করোনা রোগী সেরে যাওয়ার পরও তাঁদের ফুসফুসে ড্যামেজ রয়ে গিয়েছে। আর ৫ শতাংশের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ফের করোনা আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টাইনে যেতে হয়েছে তাদের।

উহানের যে হাসপাতালে প্রথম এই আউট ব্রেক হয়েছিল, সেখান থেকেই এই রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। জানা গিয়েছে উহান ইউনিভার্সিটির ঝংনান হাসপাতালের আইসিইউ-র ডিরেক্টর পেং ঝিয়ং গত এপ্রিল থেকে ১০০ জন সেরে ওঠা করোনা আক্রান্তকে নিয়ে বিশেষ সমীক্ষা চালাচ্ছে।

প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ৯০ শতাংশের ফুসফুসে ড্যছামেজ রয়ে গিয়েছে। অর্থঅৎ এখনও সুস্থ মানুষের মত শ্বাস প্রশ্বাস প্রক্রিয়া চালাতে পারছেন না তাঁরা।

দেখা গিয়েছে, একজন সুস্থ মানুষ ৬ মিনিটে ৫০০ মিটার হাঁটতে সক্ষম আর ওইসব আক্রান্তরা ওই সময়ে ৪০০ মিটার হাঁটতে পারছে। এমনকি অনেকে সেরে ওঠার তিন মাস পরও অক্সিজেন মেশিনের সাহায্য নিচ্ছে।

অনেকের আবার ডিপ্রেশনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ওইসব আক্রান্তরা সেরে ওঠার পরও তাঁদের সঙ্গে পরিবারের লোকেরা একই টেবিলে বসে খেতে চাইছে না। সেরে ওঠার পর অর্ধেক মানুষ ফিরেছেন কাজে।

আমেরিকা বারবার দাবি করেছে, এই উহানের ল্যাবরেটরি থেকে লিক হয়ে বেরিয়ে গিয়েছে ভাইরাস। এই দাবি বারবার করছে আমেরিকা। গত মাসখানেক প্রকাশ্যে আসে উহানের সেই গবেষণাগারের একটি চাঞ্চল্যকর ছবি। উহানের ‘ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি’-র একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, সংরক্ষণের জায়গাটির ‘সিল’ ভাঙা।

ওই উহানের গবেষণাগারেই ১৫০০ রকমের ভাইরাসের নমুনা আছে বলে জানা যায়। আর তার মধ্যে থেকেই করোনা গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিনের এই দাবিকে আরও জোরালো করতে একটি গোপন কেবল ফাঁস করল আমেরিকা। ফাঁস করা তথ্যে চরম অস্বস্তিতে চিন পড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহালমহল। যদিও একাংশের দাবি আমেরিকার তরফে সামনে আনা তথ্যে আদৌতে কিছুই বোঝা যায়নি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও