ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্তা ও কমান্ডো মেজর সিনহা রাশেদ খানকে প্রকাশ্যে গুলি করার ঘটনায় একাধিক পুলিশকর্মীর নাম তদন্তে জড়াল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মৃতের পরিবারকে।

শুক্রবার রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা রাশেদ খান।

অভিযোগ, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার পরেও পুলিশ গুলি চালায়। পাল্টা অভিযোগ, ওই ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে বচসা চলাকালীন নিজের পিস্তল বের করেছিলেন। এর পরেই গুলি চালায় পুলিশ। মৃত সিনহা রাশেদ খান বাংলাদেশ সেনার অবসরপ্রাপ্ত মেজর। চাকরি মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক আগেই তিনি স্বেচ্ছা অবসর নেন। তথ্যচিত্র নির্মাণের জন্য কক্সবাজারে একটি হোটেলে ছিলেন।

তাঁর বন্ধু ও আত্মীয়রা জানাচ্ছেন, খাম খেয়ালি জীবন ছিল রাশেদ খানের। ডুবে থাকতেন রোমাঞ্চকর খেলা, পর্যটনে। তাঁকে গুলি করার পর থেকেই বিতর্ক বাড়ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কক্সবাজারের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজির আহমেদ। দুজনেই বলেছেন তদন্ত নিজের গতিতে চলবে। দোষী কেউ ছাড় পাবে না।

এদিকে সিনহা রাশেদ খানকে গুলি করে মেরে ফেলার ঘটনায় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসের অভিযোগের ভিত্তিতে কক্সবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালতের নির্দেশে টেকনাফ থানায় মামলাটি রুজু করা হয়।

এই মামলায় খুনের আসামী করা হয়েছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। তিনি আগে থেকেই ছুটি নিয়েছেন। জানা গেছে, ওসি প্রদীপ সহ ৯ আসামীকে তদন্তের স্বার্থে যে কোনও সময় গ্রেফতার করা হতে পারে। ওসি প্রদীপ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগেভাগে ছুটি নিয়ে আত্মগোপনে। বাকিরা পুলিশ লাইনেই রয়েছে।

এদের নাম লিয়াকত আলি, এসআই নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মোস্তফা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা