বেঙ্গালুরু: এখন প্রায় ৯৩ শতাংশ কর্মীই দুশ্চিন্তায় রয়েছে কেমন করে অফিসে যাবে লকডাউন পরবর্তী সময়ে । কারণ এরা সবাই ভয় পাচ্ছে এইভাবে চলতে গেলে তাদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে একটা ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। এমনটাই মনে করছে মাইন্ড ম্যাপ অ্যাডভান্সড রিসার্চের করা সমীক্ষা।

ভারতের বিভিন্ন সংস্থা প্রস্তুত হচ্ছে লকডাউন পরবর্তী সময়ে অফিস খোলার জন্য। এই পরিস্থিতিতে সমীক্ষা করা হয়েছে এই বিষয়ে বিভিন্ন কর্মীর মনোভাব নিয়ে। ওই সমীক্ষা পরামর্শ দিয়েছে, কর্মীরা আশা করছেন তাদের সংস্থা কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব নেবে স্বাস্থ্যকর ও সুরক্ষিত পরিবেশ দেওয়ার ব্যাপারে। অতি মহামারী পরবর্তী বিশ্বে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরলে কর্মীদের আশা বেড়ে গিয়েছে তাদের মালিকরা তাদের স্বাস্থ্যের দিকে জোর দেবে বলে।

৯৯ শতাংশ কর্মী জানিয়েছেন, তারাএমন ব্যবস্থা দেখতে চায় যাতে সমস্ত সংস্থার জন্য কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি মতোই কর্পোরেট হেলথ রেস্পন্সিবিলিটি বাধ্যতামূলক করা হয়। প্রায় ৮৫ শতাংশ আশা করছে , তাদের সংস্থা কর্তৃপক্ষ অফিস স্পেস স্যানিটাইজ করবে, গাইডলাইনস অনুসারে সুরক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং নতুন পন্থা অবলম্বন করবে তাদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষার জন্য যখন তারা অফিসে থাকবে।

করোনা মহামারীর জন্য খুব দ্রুত জীবন এবং জীবিকার ক্ষেত্রে জনগণের মানসিক অবস্থা এবং মনোভাবের পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। ফলে এই সমীক্ষা ভারতের সংস্থাগুলিকে সজাগ করছে এই পরিস্থিতিতে তাদের ‌ নতুন অগ্রাধিকারের বিষয় কোনটা হবে কর্মীদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার প্রেক্ষিতে।

এই সমীক্ষা করা হয়েছিল ২০২০ সালের এপ্রিল মাসের শেষের সপ্তাহে। এজন্য মাইন্ড ম্যাপ অ্যাডভান্স রিসার্চ সমীক্ষা চালায় ভারতের ৫৬০ জন কর্মীর উপর যারা কাজ করছেন গোটা দেশে ছোট মাঝারি এবং বড় সংস্থায়। সমীক্ষা চালানো হয়েছে সেইসব কর্মীর ওপর যারা কর্মরত রয়েছেন দিল্লি -এনসিআর, মুম্বই এবং বেঙ্গালুরু মতো মেট্রো শহরগুলিতে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব