স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিজেপির CESC অভিযানে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস, লাঠিচার্জ করে মাথা ফাটালো পুলিশ। বিজেপি দাবি করেছে, প্রায় ৮৫ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম ৫ জন। তাঁদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিদ্যুতের মাশুলে বেজায় গড়মিল কিংবা বিদ্যুতের মিটার রিডিংও সন্দেহজনক। বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই করপোরেশন বা সিইএসই-এর সদর দফতর ধর্মতলার ভিক্টরিয়া হাউস ঘেরাও করতে গিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু, ওই জায়গায় পৌঁছানোর আগেই সেন্ট্রাল এভিনিউয়ের কাছে স্টিলের ব্যারিকেড খাঁড়া করে মিছিল আটকায় পুলিশ।

যুব মোর্চার সভাপতি দেবজিত সরকার, সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি, বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এবং রাজু ব্যানার্জি তখন মিছিলেই উপিস্থিত।

বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড টপকানোর চেষ্টা করেন। তখনই জলকামান, কাঁদানে গ্যাস এবং লাঠিচার্জ করে বিজেপি যুব মোর্চার মিছিল আটকায় কলকাতা পুলিশ।

পুলিশের লাঠিচার্জ এর ফলে বেশ কিছু বিজেপি কর্মী রক্তাক্ত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জখম হয়েছে পুলিশ।

রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে নেতৃত্বে ছিলেন যুব মোর্চার সভাপতি দেবজিত সরকার। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্য়ায়, সাধারণ সম্পাদক রাজু বন্দ্য়োপাধ্য়ায় এবং সায়ন্তন বসুও মিছিলে ছিলেন। সায়ন্তন বাবু বলেন, মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের হামলা হয়েছে। রাজ্যে কোন গণতান্ত্রিক অবস্থানেই এখন জল কামান চলে। কাঁদানে গ্যাস এবং লাঠিচার্জ হয়।

রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক রাজু ব্যানার্জি, সায়ন্তন বসু গ্রেফতার হয়েছেন।

বিজেপির অভিযোগ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস চার্জ করার পরই কলকাতা পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলো। বিজেপি কর্মীদের জখম করাই উদ্দেশ্য ছিল পুলিশের। কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে লাঠিচার্জ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।