জব্বলপুর: রাম মন্দির নির্মাণের জন্য কঠোর তপস্যা। মন্দির নির্মাণের সংকল্প নিয়ে ২৮ বছর ধরে উপবাস করে ১৯৯২ সাল থেকে অন্ন মুখে নেননি ৮২ বছরের বৃদ্ধা তথা সংস্কৃতের শিক্ষিকা উর্মিলা চতুর্বেদী। তাঁর সেই স্বপ্ন আজ সত্যি হতে চলেছে। এমনই জানিয়েছেন তিনি।

এদিনই ২৮ বছর ধরে করা ব্রত ভাঙতে চলেছেন তিনি। রাম মন্দিরের সংকল্প নিয়ে ১৯৯২ সাল থেকে উপবাস করছেন উর্মিলা চতুর্বেদী। এবার ওনার এই সংকল্প সম্পূর্ণ হতে চলেছে। বিগত ২৮ বছর ধরে উপবাস করে আসা ঊর্মিলা দেবীর বয়স এখন ৮২ বছর।

তিনি জানান, উপবাসের পিছনে একটাই লক্ষ্য ছিল, সেটা হল অযোধ্যাতে রাম মন্দির হওয়া নিজের চোখে দেখা। ১৯৯২ সালে দেশের ইতিহাসে লেখা হয়েছিল রাম মন্দির-বাবরি মসজিদ নিয়ে বিতর্কিত পর্ব। সেই দিন থেকেই খাওয়া দাওয়া ছেড়েছিলেন জব্বলপুরের উর্মিলাদেবী। তখন তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বছর।

রামের নামে পণ করেছিলেন, যতদিন না মন্দির তৈরি হবে, ততদিন তিনি অন্ন গ্রহণ করবেন না। এতদিন প্রায় উপবাসেই দিন কেটেছে। তাঁর খাবার বলতে ছিল সামান্য ফল আর দুধ। কোনওভাবেই তাঁকে অন্য কিছু খাওয়ানো যায়নি। কথাও বলতেন না কারও সঙ্গে বিশেষ।

জব্বলপুরের বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দা উর্মিলা চতুর্বেদী বলেন, “বিতর্কিত সৌধ ভাঙার সময় দেশে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। দেশ রক্তাক্ত হয়। হিন্দু-মুসলিম ভাইয়েরা একে অপরের রক্ত বইয়ে দেয়। এসব দেখে আমি খুব হতাশ হয়ে পড়ি। আর সেই দিনই আমি সংকল্প নিই যে, মুখে অন্ন তখনই তুলব, যখন অযোধ্যাতে রাম মন্দির নির্মাণ হবে।”

তবে ২৮ বছর ধরে উপবাস করায় নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে ওই বৃদ্ধাকে। উপবাসের সংকল্প নেওয়ার জন্য তিনি পরিজন আর সমাজ থেকে অনেক দূর হয়ে যান। অনেকেই এই উপবাস ভাঙার করার জন্য চাপ দেয়। এমনকি মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত ছেলে বিবেক চতুর্বেদী।

তিনিও এই উপবাস ভাঙার অনুরোধ জানান। আবার অনেকেই ওনার উপবাসের জন্য মজাও করেন। যদিও কারও কথা,কানে তোলেননি উর্মিলা দেবী। তিনি যাতে অসুস্থ না হয়ে পড়েন, তার জন্য পরিবারের সদস্যরা সবসময় উর্মিলাদেবীর দেখভাল করেছেন, যত্নও নিয়েছেন তাঁর স্বাস্থ্যের প্রতি।

শুধুমাত্র কলা আর চা খেয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর কাটানোর পর উর্মিলা চতুর্বেদী এবার নতুন উৎসাহের সঙ্গে অযোধ্যাতে রাম মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ হওয়ার প্রতীক্ষা করছেন। বুধবার অযোধ্যায় ভূমি পুজোর গোটা অনুষ্ঠান তিনি যাতে ভিডিও কনফারেন্সে দেখতে পারেন তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।