স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : আবারও হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ ও এসটিএফ কোলকাতার যৌথ অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ গাঁজা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে আজ ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের রাজাপুর থানা এলাকায় একটি বোলেরো গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ৮২ কেজি গাঁজা।

পুলিশ গাড়িটিকে আটক করার পাশাপাশি গাড়ির চালককে গ্রেফতার করেছে।ধৃতের নাম,সেখ জামির আলি(২৪)।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে,ওডিশা থেকে নবদ্বীপে গাঁজা আনা হচ্ছিল।উল্লেখ্য,কয়েকদিন আগেই পাঁচলা থানা এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

৩০ আগস্ট বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচারের সময় এসটিএফ কোলকাতা ও হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে চার দুষ্কৃতি। ৬ নং জাতীয় সড়কের পাঁচলা এলাকায় একটি ইনোভা ও একটি হুন্ডাই ভার্না গাড়িকে আটক করে পুলিশ।গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ১৫০ কেজি গাঁজা। গ্রেফতার করা হয় ৪ দুষ্কৃতীকে।পাশাপাশি আটক করা হয় গাড়ি দু’টিকে।

পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়েই এসটিএফ ও হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এসওজির এই যৌথ অভিযান। জানা যায়, ধৃত দুষ্কৃতীদের নাম প্রেম ডোরা,সুব্রত বিশ্বাস,মহাদেব সাহা ও অমৃত রায়।সুব্রত,মহাদেব ও অমৃত নদীয়ার নবদ্বীপ থানা এলাকার বাসিন্দা হলেও প্রেম ওডিশার বাসিন্দা।

এই ঘটনার সপ্তাহ খানেক আগে এমনই ১৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ, তাও নীল বাতি জ্বলা গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল বস্তা বস্তা গাঁজা। ওইদিন ই এম বাইপাসের কামালগাজির কাছে একটি লাল গাড়ির মাথায় নীল রঙের আলো জ্বলছিল। সন্দেহ হয় পুলিশের। গাড়িটি চার দিক থেকে ঘিরে ফেলে পুলিশের টহলদারি ভ্যান। পুলিশকর্মীরা গাড়ি থেকে চালক ও সওয়ারিদের জামা ধরে টেনে নামান। এর পরে গাড়ির ডিকি থেকে বেশ কয়েকটি বড় বড় বস্তা নামিয়ে তোলা হয় পুলিশের ভ্যানে। নীল বাতির গাড়ি থেকে ধরা লোকজনকে জিপে উঠিয়ে নেয় পুলিশ।

এরপর বারুইপুর পুলিশ জেলা সূত্রে খবর মেলে গত বুধবার ওড়িশার জলেশ্বর এলাকা থেকে পাচার হওয়া ১৫০ কেজি গাঁজা বারুইপুরের শঙ্করপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ে ওই স্পেশ্যাল অপারেশন্স গ্রুপ ও নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গাঁজা আটক করে।

পুলিশ সূত্রের খবর মেলে, কৌশিক সামন্ত নামে হুগলির পুরশুড়া থানার বাসিন্দা এক গাড়িচালক নিজের গাড়িতে গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া স্টিকার লাগিয়ে নীল বাতি জ্বেলে জলেশ্বর থেকে দেড়শো কেজি গাঁজা বারুইপুরের শঙ্করপুর এলাকায় পাচার করছিল। ওই গাড়ি থেকেই জাহাঙ্গির মোল্লা ও গফফর মোল্লা নামে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাঁজা পাচার চক্রের দুই পাণ্ডাকে গ্রেফতার করা হয়।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।