স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: সবজির আড়ালে মাদক পাচার করার আগেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল দুই পাচারকারী। এই দুই পাচারকারী কোচবিহার জেলার বাসিন্দা। একজনের নাম মদন দাস (২৮)৷ সে আকতা হাট পুলিশ স্টেশন এলাকার বাসিন্দা৷ অপরজন জ্যোতিষ বর্মণ (১৯), তার বাড়ি শীতলকুচি এলাকায়। ইতিমধ্যেই ধৃতদের গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷

শনিবার জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় পুলিশ গোশালা মোড়ে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কার্যত ওঁত পেতে বসেছিল। কোচবিহার এলাকা থেকে একটি গাড়ি গোশালা মোড়ের জাতীয় সড়ক এলাকায় আসতেই ওই গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ৷ গাড়িটি বোঝাই ছিল সবজিতে৷ বাঁধাকপি, ফুলকপি সহ একাধিক সবজির বস্তা দেখা যাচ্ছিল উপর থেকে৷ প্রাথমিক তল্লাশিতে কিছু পাওয়া না গেলে গাড়িটির ভিতরে তল্লাশি চালানো হয়৷ তখনও বেআইনি গাঁজা চোখে পড়ে না পুলিশের৷ তবে দু’চারটি সবজির বস্তা সরাতেই গাড়ি নিচের থেকে বের হয়ে আসে গাঁজার প্যাকেট।

মোট আটটি প্যাকেট উদ্ধার হয় ওই গাড়িটি থেকে। প্রতি প্যাকেটে প্রায় ১০ কেজি করে গাঁজা ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। বাজেয়াপ্ত গাঁজার মোট পরিমাণ ৮২ কেজি ৬০০ গ্রাম। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই গাড়ির চালকের নাম মদন দাস। পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন থেকে গাঁজা পাচার করার উদ্দেশ্য চালাচ্ছিল এরা৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়েই অভিযান চালায় পুলিশ৷ আর তাতেই প্রকাশ্যে আসে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা৷ ধৃতকে রবিবার জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি বলেন, ‘‘কালকেও গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। আজকেও গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। দু’জনকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কোথা থেকে এই গাঁজাগুলি পাচার করা হচ্ছিল আমরা খতিয়ে দেখছি।’’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ