নয়াদিল্লি: করোনাকে আটকাতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। আর তার ফলে বলতে গেলে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ। এই লকডাউনের সময় বহু সংস্থাই বন্ধ রয়েছে তবু ৮১ শতাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোগ আত্মবিশ্বাসী করোনা পরবর্তী সময়ে ঘুরে দাঁড়াবে বলে। একটি সমীক্ষা রিপোর্ট এমন কথাই বলছে। তবেই এই সংস্থাগুলির ৫৭ শতাংশ জানিয়েছে, তাদের হাতে বাঁচার মত কোন নগদ নেই। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর মাস এন্টারপ্রেনারশিপ এই সমীক্ষা করেছে লীডের সহায়তায় ক্রেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সমীক্ষা চালানো হয় ১৫০০টি ক্ষুদ্র সংস্থার উপর। এই সমীক্ষা থেকে উঠে এসেছে ৪০ শতাংশ সংস্থাই চেষ্টা করছে ধার করে খরচ মেটাতে। এদের মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ ঋণ পাওয়া গিয়েছে সংঘটিত ঋণদাতার কাছ থেকে। ক্ষুদ্র সংস্থার ক্ষেত্রে সংশোধিত নির্ণায়ক ধরা হয়েছে যে সংস্থার লগ্নির পরিমাণ ১ কোটি টাকা পর্যন্ত এবং লেনদেনের পরিমাণ ৫ কোটি‌ টাকার তলায়।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর মাস এন্টারপ্রেনারশিপ-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ‌ মদন পাডাকি জানিয়েছেন, করোনা ভারতীয় অর্থনীতির উপর সাংঘাতিক প্রভাব ফেলেছে, বিশেষত ক্ষুদ্র উদ্যোগের‌ উপর যা এদেশের মোট সংস্থার ৯৯ শতাংশ। এই সমীক্ষাতে লক্ষ্য করা গিয়েছে পুরুষদের তুলনায় মহিলা মালিকানাধীন ব্যবসা তুলনায় বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ৭০ শতাংশ মহিলা উদ্যোগীদের মতে, বিভিন্ন সংস্থার নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতাটাই চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে এই অংকটা ৫৩ শতাংশ।

মদন পাডাকির মতে, আড়াআড়িভাবে করা এই সমীক্ষায় বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে ক্ষুদ্র সংস্থাগুলির নগদ সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়া এবং দেরিতে পেমেন্ট পাওয়ায় জন্য কি ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। একেবারে ভূমি স্তর থেকে কান খাড়া করে অবস্থা বুঝে তারা তাদের মত করে সুপারিশ করেছে যাতে সমস্ত রকম পরিস্থিতিতে এই সংস্থাগুলি ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

প্রসঙ্গত, গোটা বিশ্ব জুড়ে করোনা অতি মহামারীর আকার ধারণ করলে, তার থাবা থেকে বাদ যায়নি ভারতবর্ষও। এই করোনা যাতে দেশে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য গত মার্চ মাসে লকডাউন জারি করা হয়। তখন থেকেই গোটা দেশের অর্থনীতি প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়। এরপর আস্তে আস্তে লকডাউন কিছুটা ধাপে ধাপে শিথিল করা হচ্ছে। তুলনায় অর্থনৈতিক কাজকর্ম কিছুটা শুরু হলেও পুরোদমে আদৌ শুরু করা যায়নি। ফলে গত কয়েক মাসে বহু সংস্থারই‌ নাভিশ্বাস উঠেছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও