প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ফের রাজ্যে বন্ধ হয়ে গেলো আরও একটি কারখানা। শ্রমিক-মালিক বিরোধের জেরে এবার উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলের এ.আই চাঁপদানি জুটমিলের ফ্লেক্স ইউনিট বন্ধ হয়ে গেল। বেকার হয়ে পড়লেন অন্তত ৮০০ জন শ্রমিক।

শ্রমিকরা ম্যানেজমেন্টের কাছে ন্যায্য পাওনা ও বকেয়া দাবি করায় বেশ কিছুদিন ধরেই এই জুটমিলে শ্রমিকদের সঙ্গে মালিক পক্ষের মনোমালিন্য তৈরি হয়ে ছিল। মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে এসে দেখেন, কারখানার গেটে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষ নোটিশে জানিয়েছে, এই কারখানায় কাজের পরিবেশ নেই, সেই কারনে আপাতত কারখানার উৎপাদন প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকালে কারখানায় কাজে যোগ দিতে এসে কারখানার গেটে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ দেখতে পান তাঁরা। শ্রমিকদের বক্তব্য, “কারখানা বন্ধের কোনও পরিবেশ ছিল না। সোমবারও শ্রমিকরা কারখানায় পুরো মাত্রায় উৎপাদন দিয়েছিল। বকেয়া পাওনা নিয়ে গত কিছুদিন ধরেই ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে তাঁদের মনোমালিন্য তৈরি হয়ে ছিল। সেই ঘটনাকে ইস্যু করে ম্যানেজমেন্ট কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা চাই দ্রুত কারখানার কাজ চালু হোক।”

এদিকে ছটপুজোর আগে ফ্লেক্স কারখানা বন্ধ হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন ৮০০ জন শ্রমিক। কারখানা চত্বরে যাতে উত্তেজনার সৃষ্টি না হয়, সেই কারনে কারখানা চত্বরে চলছে পুলিশি টহল। আপাতত কারখানায় উৎপাদন চালু হওয়ার ব্যাপারে কারখানার ম্যানেজমেন্টের তরফে কোনও সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।