নয়াদিল্লি: কেন্দ্রে মোদী সরকার আসার পর থেকেই উপত্যকায় বাড়বাড়ন্ত কমেছে জঙ্গিদের। তথ্য সহ রিপোর্ট পেশ করে লোকসভায় এই কথা জানাল কেন্দ্র।

২০১৪ সালে কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয় এনডিএ সরকার। পাঁচ বছর পরে ফের একই জোট সরকার চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর পদে ফের আসীন হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। বুধবার লোকসভায় তার মন্ত্রিসভার সদস্য উপতক্যায় জঙ্গি নিধনে ভারতীয় সেনার সাফল্যের কথা তুলে ধরেছেন।

আরও পড়ুন- সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হাফিজ সৈয়দ: পাক মিডিয়া

ওই দিন লোকসভায় দেশের প্রতিরক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক জানানযে প্রথম মোদী সরকারের জমানায় পাঁচ বছরে কাশ্মীরে ৮০০ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ ২০১৪ সাল ২০১৮ সালের মধ্যে কাশ্মীরের পাকিস্তান সীমান্তে প্রতি বছরে গড়ে ১৬০ জন করে জঙ্গি খতম করেছে ভারতীয় সেনা।

কাশ্মীরে জঙ্গি দমনে ভারতীয় সেনার সাফল্যের বিষয়ে লোকসভায় জানতে চেয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ নীতেশ গঙ্গা দেব। তাঁর সেই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রি বলেন, “নিরাপত্তারক্ষীরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সীমান্ত সামাল দিচ্ছেন। তাদের সৌজন্যেই অনুপ্রবেশকারীরা শায়েস্তা হয়েছে। নানাবিধ জঙ্গি হানা রধ করা গিয়েছে।”

আরও পড়ুন- গভীর রাতে ফাঁকা লরি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ, চাঞ্চল্য মালদায়

এরপরেই পরিসংখ্যান দিয়ে সেনার সাফল্য তুলে ধরেন মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক। তিনি জানিয়েছেন যে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই পাঁচ বছরে যথাক্রমে ১০৪, ৯৭, ১৪০, ২১০ এবং ২৪৯ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। সেনা জওয়ানদের দক্ষতার কারণেই এই সাফল্য এসেছে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী।

মোদী সরকার শুরু থেকেই কাশ্মীরে আলোচনার চেয়ে জঙ্গি নিধনেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল৷ সেই নীতি দ্বিতীয় ইনিংসেও বজায় রাখতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার৷ চলতি বচজরে এখনও পর্যন্ত শতাধিক জঙ্গির মৃত্যু ঘটেছে কাশ্মীর উপত্যকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রজের একটি সূত্র জানাচ্ছে ২০১৯ সালের প্রথম ছয় মাসের মধ্যেই ভারতীয় সেনার হাতে জঙ্গিদের মৃত্যুর সংখ্যা ১১০ হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন- ভবানীপুরে অনুশীলনের সময় অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বক্সার জ্যোতি প্রধানের

সন্ত্রাসবাদের পর সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্খনও কাশ্মীরের পরিস্থিতি অশান্ত করে তোলার জন্য দায়ী৷ ৬ জুন পর্যন্ত পাকিস্তান ১১৭০ বার সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করেছে৷ গতবছর এই সময়কাল পর্যন্ত সংখ্যাটা ছিল ১৬২৯৷ অর্থাৎ এখনও অবধি সংখ্যাটা কম৷ কিছুদিন আগে কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের সঙ্গে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ জঙ্গি দমনে জিরো টলারেন্স নীতি চালিয়ে যেতে বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷