নয়াদিল্লি: দীর্ঘদিন পর রেল লাইনে দৌড়বে যাত্রীবাহী ট্রেন। যদিও গত কয়েকদিন ধরেই শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে, তবে লকডাউনের পর থেকে কোনও যাত্রীবাহী ট্রেন চালানো হয়নি। মঙ্গলবারই প্রথম ট্রেন ছুটবে বিভিন্ন গন্তব্য।

প্রাথমিকভাবে ১৫ জোড়া ট্রেন চালানো হচ্ছে। কোনও কোনও ট্রেন চলবে সপ্তাহে ২ দিন, কোনোটা ৩ দিন আবার কোনও ট্রেন চলবে প্রত্যেকদিনই। আপাতত মঙ্গলবার মোট আটটি ট্রেন ছাড়বে বিভিন্ন স্টেশন থেকে।

এদিন নয়াদিল্লি স্টেশন থেকে ছাড়বে মোট তিনটি ট্রেন। গন্তব্য ডিব্রুগড়, বেঙ্গালুরু ও বিলাসপুর। এছাড়া হাওড়া, রাজেন্দ্র নগর (পাটনা), বেঙ্গালুরু, মুম্বই সেন্ট্রাল ও আমেদানাদ স্টেশন থেকে একটি করে ট্রেন ছাড়বে, সেগুলি সবই যাবে দিল্লি।

এছাড়া ১৩ মে অর্থাৎ বুধবার চলবে মোট ৯টি ট্রেন। এর মধ্যে আটটি ছাড়বে দিল্লি থেকে। সেগুলি যাবে হাওড়া, রাজেন্দ্র নগর, জম্মু তাউই, তিরুঅনন্তপুরম, চেন্নাই, রাঁচি, মুম্বই ও আমেদাবাদের দিকে। এছাড়া একটি ট্রেন ভুবনেশ্বর থেকে দিল্লি যাবে।

সোমবার বিকেল ৪ টে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং করার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় পিছিয়ে দেয় আইআরসিটিসি। সন্ধে ৬টা থেকে শুরু হয় বুকিং। এদিন বিকেল ৪টে থেকে টিকিট বুকিং-এর প্রক্রিয়া চালু হলেও, আইআরসিটিসির ওয়েবসাইট ক্র্যাশ করে যায়। গতি কমে আসে ওয়েবসাইটের তথ্য প্রকাশ করার কাজের। ফলে বুকিং প্রক্রিয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়।

১৫ মিনিটেই শেষ প্রথমদিনের ট্রেনের টিকিট৷ শেষ হাওড়া থেকে দিল্লি যাওয়ার প্রথম দিনের টিকিট। বুকিং চালুর ১৫ মিনিটেই বিক্রি ১০৭২টি টিকিট। প্রথম ৫ মিনিটেই শেষ প্রথম শ্রেণির টিকিট।

নিউ দিল্লি স্টেশন থেকে ডিব্রুগড়, আগরতলা, হাওড়া, পাটনা, বিলাসপুর, রাঁচি, ভুবনেশ্বর, সেকেন্দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, তিরুঅনন্তপুরম, মাডগাঁও, মুম্বই সেন্ট্রাল, আহমেদাবাদ, ও জম্মু তাওয়াই রুটে ট্রেন চলবে। স্পেশাল ট্রেন হিসেবে চালানো হবে এই ট্রেনগুলিকে। এগুলিতে শুধুমাত্র এসি কোচ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বৈধ টিকিট দেখিয়ে তবেই স্টেশনে ঢুকতে পারবেন যাত্রীরা।

তাদের ফেসমাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। প্রত্যেক যাত্রীর স্ক্রিনিং করা হবে বলে জানানো হয়েছে। গত ২৫ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে রেল পরিষেবা। কোনও ধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট চালানো হচ্ছে না। কেবলমাত্র মালবাহী ট্রেন চালানো হচ্ছিল। যদিও মে মাসের শুরু থেকে শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ