নয়াদিল্লি : চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। গ্রুপ অফ মিনিস্টারদের (জিওএম) বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে দেশের আটটি রাজ্যেই মোট করোনা আক্রান্তের ৮৫ শতাংশ রয়েছে। শনিবার জিএএমে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

শুধু তাই নয়, দেশে করোনায় যত মৃত্যু হয়েছে, তার ৮৭ শতাংশও রয়েছে এই ৮টি রাজ্যে। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, তেলেঙ্গানা, গুজরাত, উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে এই আটটি রাজ্যের তালিকায়।

এদিনের বৈঠকে জিওএম জানায়, কেন্দ্র থেকে ১৫টি টিম তৈরি করা হয়েছে। এই দলে রয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এঁরা বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করে রাজ্যগুলিকে সহায়তা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

আরেকটি কেন্দ্রীয় দল গুজরাত, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা পরিদর্শনে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক এদিন জানিয়েছে গত ২৪ ঘন্টা ২,২০,৪৭৯টি করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট পরীক্ষা হয়েছে ৭৯,৯৬,৭০৭টি। গোটা দেশে ১,০২৬টি ল্যাব করোনা পরীক্ষা করছে। এর মধ্যে ৭৪১টি সরকারী ল্যাব ও ২৮৫টি বেসরকারি ল্যাব।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতির বিচারে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে ভারত। অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের অবস্থা ভালো। তবে যারা করোনার বিরুদ্ধে লড়ছেন, সেই স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আমাদের আরোও সতর্ক হতে হবে। তাঁদের অবদানকে বিফলে যেতে দেওয়া যাবে না। শনিবার এমনই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন তিনি বলেন করোনার উদ্দেশ্যে লড়াই এখনই বন্ধ হওয়ার না। এর আগে, তিনি দেশবাসীকে কাজে বেরোতে বলে মাস্ক ও দো গজ দূরি মেনে চলতে বলেন।

দেশে সুস্থতার হার ক্রমশ বাড়ছে। এটা ভালো লক্ষ্মণ। করোনায় যত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তার মধ্যে ৫৮ শতাংশেরও বেশি সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। এমনই মত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের। শনিবার তিনি বলেন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ, এ কথা যেমন সত্যি, তেমনই দেশের আরোগ্যের হারও বেড়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে সুস্থতার হার এখন ৫৮ শতাংশেরও বেশি। মোট পাঁচ লক্ষ রোগীর মধ্যে প্রায় ৩লক্ষ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বাকিরাও খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে আশাবাদী স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এদিন হর্ষ বর্ধন জানান, গোটা দেশে ৮৫ শতাংশ রোগি আসছেন ৮টি রাজ্য থেকে ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল থেকে। ৮৭ শতাংশ মৃত্যুর খবরও এই আটটি রাজ্য থেকেই বেশি আসছে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন দেশের করোনা পরিস্থিতিতে মৃত্যুর হারও কমেছে। মৃত্যুর হার এখন ৩ শতাংশেরও কম। আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার সময়সীমা বেড়ে ১৯দিন হয়েছে। যেটা লকডাউন হওয়ার আগে ৩দিন ছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ