বাড়িতে গণেশ মূর্তি প্রায় প্রত্যেকেরই থাকে। গণেশকে সমৃদ্ধির দেবতা হিসেবে পুজো করেন হিন্দুরা। গণেশ চতুর্থী ছাড়াও বিশেষ বিশেষ দিনে গণেশের পুজো করা হয়। বিশেষত ব্যবসার ক্ষেত্রে উন্নতির জন্য গণেশ পুজো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তবে গণেশ মূর্তি বাড়িতে রাখতে গেলে অবশ্যই কিছু নিয়ম মানতে হবে আপনাকে।

১. ‘ধর্ম সিন্ধু’র মত বেশ কিছু বইতে লেখা রয়েছে যে একজনের কাছে একটির বেশি গণেশ মূর্তি থাকা কখনই উচিৎ নয়।

২. গণেশের মূর্তি কখনও সাত ইঞ্চির থেকে বেশি লম্বা হওয়া উচিৎ নয়।

৩. কখনই এমন গণেশ মূর্তি বাড়িতে রাখবেন না যার রঙ চোটে গিয়েছে, বা কোনও অংশ ভেঙে গিয়েছে। তাহলে খুবই খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। যদি কোনও কারণে ভেঙে যায় বা বিবর্ণ হয়ে যায়, তাহলে ভগবানের কাছে ক্ষমা চেয়ে সেই মূর্তি পরিষ্কার জলে ভাসিয়ে দিতে হবে।

৪. নতুন মূর্তির থেকে পুরনো মূর্তির বেশি যত্ন দেওয়া উচিৎ। তবে পুরনো মূর্তি ভাল অবস্থায় থাকাটা জরুরি।

৫. মাটি, প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করা মূর্তি না রাখাই ভাল। এগুলি সহজেই খারাপ হয়ে যায়। ধাতব জিনিসের মূর্তি রাখা উচিৎ।

৬. শিল্পের নামে কখনও বিকৃত মূর্তি রাখা উচিৎ নয়।

৭. যদি গণেশের পুজো করতে পারেন বা যত্ন নিতে পারেন, তাহলেই এই মূর্তি রাখুন। শো-পিস হিসেবে ব্যবহার করবেন না।

৮. শোবার ঘর, খাবার ঘর কিংবা রান্নাঘরে গণেশ মূর্তি রাখা উচিৎ নয়। এতে মূর্তির পবিত্রতা নষ্ট হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।