ওয়াশিংটন: বৃহস্পতিবার সকালে মার্কিন মুলুকে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বন্দুকবাজের হামলায় আমেরিকার ইন্ডিয়ানাপলিসে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৮ জনের। আহত আরও অনেকে।

ইন্ডিয়ানাপলিস প্রশাসন সূত্রে খবর সেখানকার ইন্টারন্যশনাল এয়ারপোর্টের অন্তর্গত ফেডেক্স সেন্টারে এই রক্তাক্ত হামলা চালায় বন্দুকবাজ। এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে বহু মানুষ গুলিবিদ্ধ ও ৮ জনের মৃত্যু হলে ওই বন্দুকবাজ নিজেও গুলিবিদ্ধ হয়। কী করে ওই বন্দুকবাজ গুলিবিদ্ধ হল, নাকি সে নিজেই আত্মহত্যা করেছে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। গোটা ঘটনায় আতঙ্ক ফেডেক্স সেন্টারে।

পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, আহত গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদেরকে এলাকারি বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পরেই সেখানে হাজির হয় পুলিশের গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকেরা। তারা সেখানকার প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ সংগ্রহ করছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও খবর পড়ুন – লাল গোলাপে নীল বিষাক্ত সাপ, ইন্টারনেটে ভাইরাল VIDEO

উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহে মার্কিন মুলুকে একাধিক শুটিং এর ঘটনা সামনে এসেছে। মার্চের ৩১ তারিখে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় গুলি হামলা চালানো হয়। সেই হামলায় ৯ বছরের এক বালক সহ ৪ জনের মৃত্যু হয়। তার এক সপ্তাহ আগে আর এক বন্দুকবাজের হামলায় এক পুলিশ অফিসার নিহত হন, কলোরাডোতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

কলোরাডো প্রদেশের ওই হামলার ঘটনায় মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বহু। বোল্ডার কাউন্টির প্রধান প্রশাসক মাইকেল ডোহার্টি ওইদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, কাউন্টিতে এরকম ঘটনা ঘটায় রীতিমতো আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। তবে পুলিশ সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে থাকার প্রয়োজন নেই। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কেন এই ঘটনা ওই ব্যক্তি ঘটাল, তা এখনও জানা যায়নি।

এর আগে গতবছর একটি মলে হামলা চালায় বন্দুকবাজেরা। সেবারও ৮ জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বিভাগের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, যখন এমার্জেন্সি বিভাগের আধিকারিকেরা ঘটনাস্থলে চলে আসেন, ততক্ষণে সেই স্থান থেকে পালিয়ে গিয়েছে ওই হামলাকারী।

আমেরিকায় শুটিং বা ছোরা হাতে রক্তাক্ত হামলা ভয়ংকর আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসিন্দাদের কাছে। সকাল-দুপুর বা রাতে নাইট পার্টি, সর্বত্রই হামলা চালাচ্ছে এই ধরণের বন্দুকবাজেরা। এতে মারা যাচ্ছে বেশ কিছু সাধারণ মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.