ইস্তানবুল: করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন মাথাচাড় দিয়ে উঠেছে সারা বিশ্বে৷ ফলে স্বাভাবিকের পথে হাঁটতে শুরু করা জনজীবন ফের থমকে যেতে চলেছে৷ এক বছর বন্ধ ঘরবন্দি থাকার পর ক্রীড়াবিদরাও টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হচ্ছে৷ তুরস্কে টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া আট ভারতীয় বক্সারের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে৷

তুরস্কে বোসফোরাস বক্সিং টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া ভারতীয় দলের আট সদস্যের কোভিড-১৯ টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ এঁদের মধ্যে রয়েছেন কমনওয়েলথ গেমেনে সোনা জয়ী গৌরভ সোলাঙ্কি(৫৭ কেজি), প্রয়াগ চৌহান (৭৫ কেজি) ও ব্রিজেশ যাদব (৮১ কেজি)৷ এই তিন বক্সার গত সপ্তাহেই করোনা আক্রান্ত হয়েছে৷ তবে প্রত্যেকেই ইস্তানবুলে আইসোলেশনে রয়েছেন৷ এই তিন বক্সারের ইভেন্ট শেষ হয়েছে ১৯ মার্চ৷ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচ ধর্মেন্দ্র যাদব, সন্তোষ বিরমোল এবং ফিজিও শিখা কেদিয়া এবং চিকিৎসক উমেশ এবং ভিডিও অ্যানালিস্ট নীতিন কুমারও আইসোলেশনে রয়েছেন৷

টুর্নামেন্টে পুরুষ ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন গৌরভ৷ তিনি একমাত্র ভারতীয় হিসেবে পুরুষ বিভাগে পদক জিতেছেন৷ মহিলা বিভাগে ভারতীয়দের মধ্যে পদক জিতেছেন নিখত জারেন৷ তিনিও ব্রোঞ্জ জেতেন৷ ফলে টুর্নামেন্ট থেকে ভারত মাত্র দু’টি পদক জিতেছে৷ এছাড়াও এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ভারতীয় বক্সাররা হলেন ললিত প্রসাদ (৫২ কেজি), শিবা থাপা (৬৩ কেজি), দুর্যোধন সিং নেগি (৬৯ কেজি), নমান তনওয়ার (৯১ কেজি) এবং কৃষ্ণান শর্মা (৯১ কেজি)৷ আর মহিলা বিভাগে জারিনের সঙ্গে ছিলেন সোনিয়া লাথের (৫৭ কেজি), প্রভীন (৬০ কেজি), জ্যোতি গ্রেওয়াল (৬৯ কেজি) এবং পূজা সাইনি (৭৫ কেজি)৷

টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেলেও একই সঙ্গে দেশে ফিরতে পারছে ভারতীয় বক্সিং দল৷ যাঁদের রিপোর্ট কোভিড পজিটিভ এসেছে, তাদের এখন ওখানেই অপেক্ষা করতে হবে৷ তাদের পরবর্তী রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই দেশে ফেরার বিমানে ওঠার ছাড়পত্র পাবেন৷

সম্প্রতি দেশের মাটিতে রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজ থেলা ভারতের চার প্রাক্তন ক্রিকেটার কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন৷ এঁরা হলেন, সচিন তেন্ডুলকর, ইউসুফ পাঠান, এস বদ্রিনাথ ও ইরফান পাঠান৷ এছাড়া ভারতীয় মহিলা টি-২০ ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত কউরও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.