কলকাতা: তিন তরুণ তুর্কি। নাম বিনয়, বাদল আর দীনেশ। নিজের প্রাণের পরোয়া না করে ১৯৩০ সালের ৮ ডিসেম্বর রাইটার্স অভিযান করেছিলেন তাঁরা। গুলি করে হত্যা করেছিলেন অত্যাচারী সিম্পসনকে। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের একটি অধ্যায় সেই ঘটনা এবার উঠে আসবে বড়পর্দায়।

এগারো, চোলাই ও হীরালাল খ্যাত পরিচালক অরুণ রায় এই ঐতিহাসিক দিনকেই বড় পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে উদ্যত হয়েছেন। প্রযোজক কান সিং সোধা নিজের প্রযোজনা সংস্থা ‘কে এস এস প্রোডাকশন অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ব্যানারে এই ছবির কথা ঘোষণা করলেন। টিজার লঞ্চের দিন সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন ছবির প্রধান অভিনেতা কিঞ্জল নন্দ, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, সুমন বোস , অনুষ্কা চক্রবর্তী, বিপাশা সাহা। কিঞ্জল অর্ণ এবং সুমন তিনজনেই থিয়েটার এর মঞ্চের দাপুটে অভিনেতা।

এই ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন সুমন। বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনয়কৃষ্ণ বসুর চরিত্রে কিঞ্জল, বাদল গুপ্তের চরিত্রে অর্ণ ও দীনেশ গুপ্তের চরিত্রের সুমন। ছবির সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ময়ূখ-মৈনাক সঙ্গীত পরিচালক জুটি। চিত্র গ্রহণের দায়িত্বে রয়েছেন খ্যাতনামা ডি ও পি গোপী ভগৎ। ছবির পোশাক নির্মাণে থাকছেন সাবর্ণী দাস। সম্পাদনায় থাকছেন সংলাপ ভৌমিক।

এই ছবির ক্ষেত্রে প্রযোজক কান সিং সোধার অবদান বিষয়ে বলতে গিয়ে পরিচালক অরুণ রায় জানান, “প্রযোজক হিসেবে কান সিং সোধা যেভাবে আমাদের পাশে থাকছেন তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। তার অবদান সত্যিই অনস্বীকার্য।” ছবির বিষয়ে তার স্পষ্ট মতামত, “আমরা ৯/১১ র মতো একটা দিন মনে রাখতে পারি, কিন্তু ৮/১২ আমাদের স্মৃতি থেকে আজ প্রায় বিলুপ্ত। এই দিন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৩০ সালের ৮ ডিসেম্বর ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সের তিন জন বীর বাঙালী যুবক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ব্রিটিশ পোশাকে প্রবেশ করে অত্যাচারী ব্রিটিশ শাসক সিম্পসনকে হত্যা করেন। এই তিন বীর আমাদের সকলের পরিচিত বিনয়কৃষ্ণ বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত। তারা আজও বাঙালীর কাছে শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত। কিন্তু তাদের এমন অসম সাহসী কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপট আমাদের মতো আত্মবিস্মৃত জাতির অধিকাংশের কাছেই অজানা। তাদের সেই অমর গাথাই ‘৮/১২’ ছবির মধ্যে দিয়ে দর্শকদের কাছে পরিবেশন করতে চলেছি আমরা। আশা করি আমরা যতটা আনন্দের সঙ্গে এই ছবি নির্মাণ করছি, দর্শকও ততটাই আনন্দের সঙ্গে এই ছবিকে গ্রহণ করবেন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.