নয়াদিল্লি: প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের। মহার্ঘ্য ভাতা বা DA-এর জন্য আর কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হবে। ২৬ জুন হতে চলেছে মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ জেসিএম (National Council of JCM) এবং ফাইন্যান্স মন্ত্রক ও পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং ডিপার্টমেন্ট (Ministry of Finance and Department of Personnel and Training)-এর আধিকারিকদের মধ্যে আলোচনা ৷ বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে আলোচনা মে মাসের শেষ সপ্তাহে হওয়ার কথা ছিল ৷ করোনা মহামারীর কারণে তা পিছিয়ে গিয়েছিলো।

National Council of JCM আশাবাদী, এই আলোচনায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনারদের জন্যে সুসংবাদই আসবে। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ জেসিএম -এর আধিকারিক শিব গোপাল মিশ্র আগেই বলেছিলেন, যদি কেন্দ্রীয় সরকার ডিএ ও ডিআর বকেয়া একসাথে পরিশোধ করতে অক্ষম হয়, তাহলে কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারে।

ন্যাশনাল কাউন্সিল অব জেসিএম (National Council of JCM) এবং অর্থ মন্ত্রকের আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন সম্পর্কিত নানা সমস্যার বিষয়ে কর্মীদের মতামত নিতে শুরু করেছেন। জানা গিয়েছে, বৈঠকে মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও কেন্দ্রীয় সরকারের পেনশনারদের সপ্তম বেতন কমিশন অনুযায়ী বকেয়া ডিএ এবং ডিআর নিয়ে আলোচনা করা হবে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন ক্যাবিনেট সচিব।

করোনা পরিস্থিতির জেরে কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধি করা হয়নি ৷ কেন্দ্র সরকার গত বছরের শুরু থেকে বকেয়া ডিএ-র তিনটি ইনস্টলমেন্ট চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত আটকে রেখেছে ৷ ফলে এটি কেন্দ্রীয় কর্মীদের পক্ষে বেশ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্তদের জন্য ডিএ এবং ডিআর সুবিধাগুলি ১ জুলাই, ২০২১ এ পুনরায় চালু করা হবে, তবে ডিএ এবং ডিআর বকেয়া বন্দোবস্তের তিনটি কিস্তি সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ১৭ শতাংশ ডিএ (DA) পাচ্ছেন ৷ এবার সেটা ১১ শতাংশ বাড়িয়ে ২৮ শতাংশ করার সম্ভাবনা রয়েছে ৷ এর জেরে এক লাফে বেতন অনেকটাই বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.