নয়াদিল্লিঃ  আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তার মধ্যেই মোটামুটি পরিষ্কার হয়ে যাবে যে, দিল্লির ক্ষমতায় কে আসছে। যদিও এক্সিট পোল বলছে যে, বিপুল আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসছেন মোদীই। সংখ্যাগরিষ্ঠের থেকেও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতার মসনদে বসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই। তবু ও আসল ফলাফল প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না। তবে সপ্তম এবং শেষ দফা ভোটের পরেই এক্সিট পোলের যে পূর্বাভাস পাওয়া গিয়েছে তাতে উচ্ছ্বসিত বিজেপি কর্মীরা। শুধু বিজেপি কর্মীরাই নন, নতুন করে আশার আলো দেখছেন লক্ষাধিক সরকারি কর্মী।

মোদীর শাসকালের শেষ দিকে সরকারি কর্মচারীদের জন্যে বড় কিছু ঘোষণা করতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছিল। কিন্তু শেষমেশ কিছুই মেলেনি। যাতে সরকারি কর্মীদের কার্যত আশাভঙ্গ হয়। এরপর নির্বাচনে কমিশনের আচরণ বিধি লঙ্ঘন হয়ে যাওয়াতে কিছগুই ঘোষণা করা যায়নি। কিন্তু ভোট মিটলেই সরকারি কর্মীদের জন্যে বড় কিছু ঘোষণা মোদী সরকার করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল বিজেপি। সেই মতো এক্সিট পোলের পূর্বাভাস মতো ফের ক্ষমতার শীর্ষে আসতে চলেছে মোদী সরকার। ফলে আশায় বুক বাঁধছেন সরকারি কর্মীরা। মনে করা হচ্ছে দ্বিতীয় বারে ক্ষমতায় মোদী ফিরলেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ মতো বড় ঘোষণা করা হতে পারে।

এর আগে অগস্টের ২০১৬ সাল থেকে সরকারি কর্মীদের জন্যে সপ্তম বেতন কমিশনের কথা বলেছিল মোদী সরকার। যা কিনা ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই কার্যকরী হওয়ার কথা ছিল।

উল্লেখ্য, সপ্তম বেতন কমিশনে ১৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির কথা সুপারিশ করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্যে। যদিও কর্মীদের দাবি ছিল নুন্যতম বেতন ২৬ হাজার টাকা করায় যেখানে কেন্দ্র অনুমোদন করেছিল ১৮ হাজার টাকা। বিভিন্ন সরকারি দফতরে কর্মরত ৪৭ হাজার কর্মী এখনও অপেক্ষা করে রয়েছে সরকারের সিদ্ধান্তের উপর যেখানে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ বেতন কমিশনের বৃদ্ধি হয়েছিল ২০ শতাংশ।

তবে ক্ষমতায় ফিরলেই সরকারি কর্মীদের জন্যে যদি সপ্তম বেতন কমিশন লাঘু করা হয় তাহলে বাড়তি ভালোই চাপ বাড়বে কেন্দ্রের কোষাগারে। কিন্তু তা সত্যেও সরকারি কর্মী, বিএসএফ, সিআইএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপি, রেলের কর্মীরা তো বটেই বিএসএনএলের কর্মীরাও সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশের আওতায় আসবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহালমহল।