নয়াদিল্লিঃ  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের কাছে বহু দিন ধরেই বেতন বাড়ানোর দরবার করে আসছিল কেন্দ্রীয় কর্মচারী ইউনিয়ন। এবার সেই ডাকে সাড়া দিতে চলেছে মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের খুব শীঘ্রই সুখবর মিলতে পারে। ইতিমধ্যেই, সরকারের তরফ থেকে এখন কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের নুন্যতম বেতন বাড়িয়ে কত করা যেতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা চলছে।

সূত্রের খবর, বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে ১১ নভেম্বরের পরেই সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আর সেখানেই কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের নুন্যতম বেতন কী ভাবে বাড়ানো যেতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। মনে করা হচ্ছে, এক ধাক্কায় আট হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের নুন্যতম বেতন।

সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু নুন্যতম বেতন বৃদ্ধি নয়, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্যে আরও বড় কিছু ঘোষণা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে মোদী সরকার, এমনটাই সূত্রে জানা গিয়েছে। নভেম্বরের মন্ত্রিসভার এই বৈঠকে নুন্যতম বেতন বৃদ্ধি সহ এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কি বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করবেন, তা নিয়ে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মধ্যে। তবে সূত্র বলছে, মোদী সরকারের এই ঘোষণায় ৫০ লক্ষ সরকারি কর্মচারী উপকৃত হবেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বিরাট সুখবর দিয়েছে মোদী সরকার। দীপাবলির উপহার হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বাড়ানো হয়েছে। ৫ শতাংশ ডিএ বাড়ানো হয়। এর ফলে ১২ শতাংশ থেকে মহার্ঘ ভাতা বেড়ে হয়েছে ১৭ শতাংশ। মোদীর সরকারের এই ঘোষণার ফলে প্রায় ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী উপকৃত হবেন। পাশাপাশি ৬৫ লক্ষ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। এজন্য সরকারের খরচ হবে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে অনেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মীদের জন্য ভাল খবর রয়েছে। মহার্ঘ ভাতা ৫ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে’’। এবার সে পথে হেঁটেই ৫ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি রাজ্য সরকারি কর্মীদের। সৌজন্যে বিহার সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।