আন্দোলনের মঞ্চ থেকে সরলেন মূল কাণ্ডারিদের মধ্যে এক অন্যতম যোদ্ধা৷ মৌসুমি কয়াল৷ মঙ্গলবার কামদুনি প্রতিবাদ আন্দোলন থেকে সরলেন মৌসুম৷ এদিন তিনি বলেন, এটা ওদের পরিবারের আন্দোলন৷ আমার আর এই আন্দোলনে থাকার ইচ্ছে নেই৷ তাই এই আন্দোলন করতে চাইনা৷
সোমবারই কামদুনির নির্যাতিতার পরিবারের কাছেই ধাক্কা খেয়েছিল এই প্রতিবাদী আন্দোলন। প্রতিবাদী মঞ্চে চিঠি দিয়ে এই আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ায় পরিবার৷ তাঁদের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, আন্দোলনের নাম করে তাদের ভুল বোঝানো হয়েছে। দোষীদের আড়াল করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করা হয়েছে৷ কিছু রাজনৈতিক নেতা, গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলেছিল পরিবার। সরকারের তরফে চাকরি এবং সাহায্য পাওয়ার পরে নির্যাতিতার পরিবারের এমন ভোলবদল কিছুই মেনে নিতে পারেনি কামদুনির মৌসুমি, টুম্পা কয়ালরা।
এরপরই এই সিদ্ধান্ত৷ কিন্তু প্রশ্ন হল আগেতো এই আন্দোলন গোটা গ্রামের ছিল৷ কিন্তু এখন পরিবারের৷ এহেন বদলের পর তা শুধু পরিবারের হয়ে গেল৷ তাহলে কি আন্দোলনের গতি হারিয়ে গেল?এখন একটাই বিষয় ঘুরছে গোটা কামদুনির সাধারণের মনে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।