নয়াদিল্লি:  গত কয়েকদিন আগে ফের ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চালায় ভারতীয় সেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম ভ্যালিতে ওই জঙ্গিঘাঁটিগুলি ছিল বলে জানা গিয়েছে। তাংধার সেক্টরের বিপরীতেও জঙ্গিঘাঁটিতে টার্গেট করা হয়েছে বলে জানা যায়। যদিও ভারতীয় সেনার কড়া প্রত্যাঘাতে কতগুলি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

কিন্তু বেশ কয়েকটি জাতীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয় যে, চার থেকে পাঁচটি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রিপাবলিক টিভি এই বিষয়ে একটি সুপার এক্সক্লুসিভ খবর করেছে। যেখানে তারা দাবি করছে যে, অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তত ৭টি জঙ্গি ঘাঁটি একেবারে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনার এই প্রত্যাঘাতে ৫০ জন পাক জঙ্গি খতম হয়েছে বলে দাবি করেছে ওই সংবাদমাধ্যম। যদিও এই বিষয়ে ভারতীয় সেনার তরফে কোনও কিছু এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি।

অন্যদিকে এই ঘটনার আগে অর্থাৎ রবিবার সকালেই পাক সেনার শেলিংয়ে শহিদ হন দুই ভারতীয় জওয়ান। এক সাধারণ নাগরিকেরও মৃত্যু হয়। এরপরই কার্যত বদলা নেয় ভারতীয় সেনা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এই সমস্ত জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা।

জানা গিয়েছে পাক সেনা সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করায় কাশ্মীরের একটি বাড়ি, একটি রাইস মিল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ধূলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছে একট গোশালা, যার ভিতরে ১৯টি গবাদি পশু ছিল বলে জানা গিয়েছে। মূলত চিত্রকূট গ্রামে সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছে। পাকিস্তানের গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই গ্রামের ছ’টি বাড়িল

ভারতীয় সেনার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দুই ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর ভারতীয় সেনা পাকিস্তানে জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে গুলি করে। রবিবার ভোর ৪ টে থেকে পাকিস্তানের তরপে ভারতীয় সেনা ক্যাম্প লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ শুরু হয়। সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ফের একবার পাকিস্তানি হানা চলে ভারতে। যার ফলে শহিদ হন ২ ভারতীয় সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয় এক সাধারণ নাগরিকের। এরপর থেকেই ভারত পাল্টা জবাব দিতে থাকে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।