নয়াদিল্লি: দেশের একাধিক রাজ্যে বার্ড ফ্লু-এর উপস্থিতি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। অন্তত ৭টি রাজ্যে পাওয়া গিয়েছে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার হদিশ। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দেওয়া হল বিশেষ নির্দেশিকা।

শনিবার অ্যাভিয়ান ইনফজলুয়েঞ্জা নিয়ে রিপোর্ট দিয়েছে কেন্দ্র। সাতটি রাজ্যে এই রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ওই সাত রাজ্যের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, যাতে এই রোগ আরও বেশি করে ছড়িয়ে না পড়ে। কেরল, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, গুজরাত, উত্তর প্রদেশ- এই সাত রাজ্যের জন্য নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মৎস্য মন্ত্রকের তরফ থেকে এই নির্দেশিকা এদিন জারি করা হয়েছে।

দিল্লির সঞ্জয় লেকেও একাধিক হাঁসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েচে। মৃত কাকের দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

এই ইনফজলুয়েঞ্জার জেরে ব্যাপকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে পোল্ট্রি মালিক ও মাংস ব্যবসায়ীদের। জোগান থাকা সত্ত্বেও বাজারে মাংস-ডিমের চাহিদা তলানিতে। করোনাকালে আরও একবার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও বার্ড ফ্লু নিয়ে গুজব ছড়ানোর বদলে সতর্ক থাকতেই পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্র।

মৎস, পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রক জানিয়েছে, পোল্ট্রি মালিক ও সাধারণ মানুষকে (ডিম এবং মুরগির গ্রাহক) এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা করতে একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। মুরগী ও ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে উপভোক্তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রের তরফে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যগুলিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র গুজবের কারণেই মাংস-ডিমের কারবারে ক্ষতি এড়াতে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, রাজ্যগুলিকে পোল্ট্রি বা হাঁস-মুরগির সুস্থ সংরক্ষণে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সেব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।

ওই ছয় রাজ্যের পাশাপাশি রাজধানী দিল্লিতেও বার্ড-ফ্লুয়ের আতঙ্ক। দিল্লির ময়ূরবিহার এলাকায় শ’য়ে-শ’য়ে কাকের মৃত্যু ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাস্তায় যত্রতত্র পড়ে থাকতে দেখা যায় মৃত কাক। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ঘোরতর উদ্বেগে দিল্লির সরকার। দিল্লি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মীরা মৃত কাকগুলির নমুনা সংগ্রহ করেছেন। সেই নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।