নয়াদিল্লি: পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে রেলের কাছে ৬৩ ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেনের আবেদন জানিয়েছে মোট সাত রাজ্য।

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজেদের রাজ্যে পৌঁছে দিতে স্পেশাল ট্রেনের জন্য রেলের তরফে অবশিষ্ট চাহিদা মেটানোর দাবিতে মুখ্য সচিবদের চিঠি দেওয়ার দু’দিনের মধ্যেই ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেনের আবেদন জানিয়েছে ৭ রাজ্য সরকার।

মোট ট্রেনের ৩২টি ট্রেন কেরল থেকে ছাড়বে, এদের মধ্যে বেশিরভাগ ট্রেন এসে পৌঁছবে পশ্চিমবঙ্গে। মোট ২৩টি ট্রেন এসে পৌঁছবে বাংলায়, এমনটাই জানা গিয়েছে রেল সূত্রে।

কেরল ছাড়া তামিলনাডুর তরফে ১০টি ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেনের আবেদন জানানো হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য ৯টি, কর্ণাটকের তরফে ৬টি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের তরফে ৩টি, পশ্চিমবঙ্গের তরফে ২টি এবং গুজরাত ১টি ট্রেনের আবেদন জানিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের তরফে এখনও ক’টা ট্রেন লাগবে সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়নি তবে তা শীঘ্রই জানানো হবে, এমনটাও খবর রেলসুত্রে।

দ্য রেলওয়ে বোর্ড চেয়ারম্যান মে মাসের ২৯, জুনের ৩ এবং ৯ তারিখ এ বিষয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি লিখেছিলেন। জানানো হয়, “দ্য রেলওয়ে বোর্ড জোরালোভাবে জানিয়েছে, “আবেদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেন দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে”।

প্রসঙ্গত, ২৫ মে পর্যন্ত ৩২৭৪টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ৪৪ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক-সহ আটকে পড়া নাগরিকদের তাঁদের রাজ্যে ফেরানো হয়েছে। ২৫ মে ২২৩টি শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ২ লক্ষ ৮০ হাজার যাত্রী তাঁদের রাজ্যে ফিরেছেন। রেলের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে দেশজুড়ে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মতো রেল-বিমান ও সড় পরিবহণ ব্যবস্থাও বন্ধ রাখা হয়। তার জেরে দেশের নানা প্রান্তে বহু মানুষ আটকে পড়েন। পরিবার ছেড়ে দিনের পর দিন ভিনরাজ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হন লক্ষ-লক্ষ নাগরিক। বিশেষত পরিযায়ী শ্রমিকরা ঘোর বিপাকে পড়েন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ