বিশেষ প্রতিবেদনঃ  শরীর থাকলে অসুস্থ হতেই পারে। আর সে ক্ষেত্রে চিকিৎসা খরচ একটা দুশ্চিন্তার বিষয়। বিশেষত বর্তমানে করোনা রোগ যেভাবে ছড়িয়েছে তার জন্য অনেকেই করোনা হলে চিকিৎসার খরচ নিয়ে উদ্বিগ্ন। সে ক্ষেত্রে রোগের চিকিৎসার জন্য বিমা করা থাকলে সুরাহা হতে পারে।

তখন বিমা দাবি করা যেতে পারে একেবারে ক্যাশলেস পদ্ধতিতে অথবা তখন চিকিৎসা খরচ মিটিয়ে দিয়ে তা পরে বিমা সংস্থার কাছ থেকে দাবি করার মাধ্যমে। কিন্তু আবার এটাও ভাবা উচিত নয় স্বাস্থ্য বিমা যখন করা হয়েছে তখন অসুখ হলে চিকিৎসার জন্য খরচ পাওয়া যাবেই।

এমন অনেক কারণ আছে যার জন্য স্বাস্থ্য বিমা দাবি আটকে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিমা করার সময় শর্তাবলী ভালোভাবে বুঝে নেওয়া উচিত।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক কি কি কারনে এমনটা হতে পারে।

প্রথমত দেখে নেওয়া দরকার কোন কোন বিষয় এই স্বাস্থ্য বিমা পলিসি আওতার বাইরে রাখা রয়েছে। যেমন অতি মহামারী ক্ষেত্রে বিমা দাবি প্রযোজ্য নয় এমন কথা লেখা থাকলে করোনা হলে বিমা দাবি মিটবে না।

দ্বিতীয়ত দেখে নেওয়া হতে পারে বিমাকারীর ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য। যদি তিনি সম্প্রতি ভীষণভাবে করোনা আক্রান্ত কোন দেশে গিয়ে থাকেন তাহলে তার দাবী আটকে যেতে পারে।এমন কি তিনি না গেলেও তার পরিবারের কেউ সেখানে গিয়ে থাকে সেক্ষেত্রেও বিমাদাবি আটকে যেতে পারে।

তৃতীয়ত স্বাস্থ্য বিমা পলিসি করা হলেও একটা ওয়েটিং পিরিয়ড রাখা হয় । কিন্তু ওই সময় কোনও বিমা দাবি করলে আটকে যাবে তা।

চতুর্থত যদি দেখা যায় সংশ্লিষ্ট পলিসি হোল্ডারের পলিসি করার আগে থেকেই কোন গুরুতর রোগ ছিল তাহলে তিনি দাবি করলেও তা পাবেন না।

পঞ্চমত, পলিসি করার আগে যদি রোগের বিশেষ কিছু উপসর্গ থাকে তা হলেও বিমা দাবি আটকে যেতে পারে

ষষ্ঠত, কোনও কোনও পলিসি তে বলা থাকতে পারে অন্তত ২৪ ঘন্টার জন্য‌ হাসপাতালে ভর্তি না হলে বিমা দাবি মেটানো হবে না।‌ তেমন পলিসি হলে হাসপাতালে তার চেয়ে কম সময় ভর্তি হলে বিমা দাবি করলে তা আটকে যাবে।

সপ্তমত, যদি পলিসি হোল্ডার ভুল তথ্য দিয়ে এবং তথ্য গোপন করে পলিসি করে থাকেন তাহলে তার বিমা দাবি আটকে যেতে পারে। আর এই কারণেই বিমা করার আগে কতটা কি বিমার আওতায় আছে সেই সব শর্তাবলী পলিসি হোল্ডারের ভালো করে জেনে বুঝে নেওয়া একান্ত জরুরী।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও