কলকাতা: এ বছরের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে পদক পাচ্ছেন এ রাজ্যের ৭ জন পুলিশ অফিসার৷ ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দক্ষ পুলিশ আধিকারিকদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে৷

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রতি বছর প্রজাতন্ত্র দিবস এবং স্বাধীনতা দিবসের আগে দক্ষ পুলিশ আধিকারিকদের পদক দিয়ে থাকেন৷ এ বছর সারা দেশ থেকে ১২১ জন তদন্তকারী অফিসারকে পদক দেওয়া হচ্ছে৷ তাদের মধ্যে এই রাজ্যের ৭ জন পুলিশ অফিসার রয়েছেন৷ নিজেদের কর্ম দক্ষতার জন্য তাঁরা এই পদক পাচ্ছেন৷

এ রাজ্য থেকে এবার যে সাতজন পদক পেতে চলেছেন, তার মধ্যে রয়েছেন

1. সুবীর কর্মকার (ইন্সপেক্টর, রাজ্য পুলিশ)2.শুক্লা সিংহ রায় (ইন্সপেক্টর, কলকাতা পুলিশ)3.ডেনিস অনুপ লাকড়া (ইন্সপেক্টর, কলকাতা পুলিশ)4.বিজয় কুমার যাদব (ইন্সপেক্টর, রাজ্য পুলিশ)5.সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় (সাব ইন্সপেক্টর, রাজ্য পুলিশ)6.প্রদীপ পাল (সাব ইন্সপেক্টর, রাজ্য পুলিশ)7.বর্ণালী সরকার (সাব ইন্সপেক্টর, রাজ্য পুলিশ)৷

কলকাতা পুলিশের দুই ইন্সপেক্টর ডেনিস অনুপ লাকড়া এবং শুক্লা সিংহ রায়, দু’জনই সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চে কর্মরত৷ গতবছর দুটি পৃথক মামলায় তাঁরা রীতিমতো কৃতিত্ব দেখিয়েছেন৷ তার মধ্যে একটি মামলা পেয়েছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি৷ খোদ লন্ডনের পুলিশ কমিশনার কলকাতা পুলিশের কাজের জন্য নগরপাল অনুজ শর্মাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ফোন করেছিলেন৷

এমলকি কলকাতা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে লন্ডন থেকে চিঠিও আসে লালবাজারে৷ যা কলকাতা পুলিশের গর্ব৷

কলকাতায় বসে ভুয়ো কল সেন্টার খুলে লন্ডনের নাগরিকদের প্রতারণা। প্রতারিত হয়েছিলেন লন্ডনের ২৩ হাজার মানুষ। হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল প্রায় ৫০ কোটি টাকা। তদন্তে নেমে সেই চক্রকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। তার জন্যে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ কুমার শর্মা ও গোয়েন্দা প্রধান মুরলিধর শর্মাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দিলেন লন্ডন পুলিশের কমিশনার আয়ান ডায়সান।

খোদ কলকাতায় বসে কাজ করছিল একটি বড় চক্র। সেই চক্রের চাঁই সহ সব সদস্যকে সম্প্রতি গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাবিভাগ। এক ধাক্কায় কিনারা হয় লন্ডনে নথিভুক্ত হওয়া ২৩ হাজার প্রতারণা-মামলার।

তারপরই কলকাতা পুলিশ অনুজ শর্মাকে ফোন করে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন লন্ডন পুলিশের কর্তারা। এবার লন্ডনের পুলিশ কমিশনার ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দেন কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে। বুধবার সেই চিঠি এসে পৌঁছল লালবাজারে।

প্রসঙ্গত, কলকাতার বুকে ভুয়ো কল সেন্টার সাজিয়ে বসে সুদূর লন্ডনের বাসিন্দাদের সঙ্গে প্রতারণা চালাচ্ছিল বড় চক্র। একটা-দুটো নয়, সব মিলিয়ে ২৩,০০০টি অভিযোগ জমা পড়েছিল লন্ডন পুলিশের কাছে। প্রতারকদের নাগাল পেতে হিমশিম খাচ্ছিল লন্ডন পুলিশ। অবশেষে, কলকাতা পুলিশের জালেই ধরা পড়ল প্রতারণা-চক্রের সমস্ত চাঁই৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও