অমরাবতী: ২০ জন চন্দনকাঠ পাচারকারী খতমের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। বৃহস্পতিবার তামিলনাড়ুর তিরুভান্নামালাই জেলার ভেট্টাগিরিপালায়ম গ্রামের এক বাসিন্দা চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন। শেখর নামের ওই ব্যক্তির কথায়, তামিলনাড়ু-অন্ধ্রপ্রদেশ সীমান্ত এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে সাত জনকে খুন করে অন্ধ্র পুলিশ। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তি জানিয়েছে, চন্দনকাঠ পাচারের ঘটনায় মৃত ২০ জনের মধ্যে সাতজন তাঁর সঙ্গে একই বাসে ছিলেন। নিজের নিকটাত্মীয়দের কাছে ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, “মঙ্গলবার বাড়ি ফেরার সময় বাসে উঠে তিনি এক মহিলার পাশে বসেছিলেন। তাই হয়তো তাঁর দিকে চোখ যায়নি পুলিশের।” তিনি নিজেকে সাত জনকে গুলি করে মারার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে দাবি করেছেন। গতকালই ২০ জন চন্দনকাঠ পাচারকারী এনকাউন্টারের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছে দুই রাজ্যের রাজনীতি। তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের প্রত্যেকের পরিবার পিছু তিন লক্ষ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি গোটা ঘটনায় অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সুরে সুর মিলিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারকে নোটিশ পাঠিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার সংগঠন।

মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটে তামিলনাড়ু-অন্ধ্রপ্রদেশ সীমানার চিত্তের জেলার চন্দ্রগিরি মণ্ডল এলাকায়। জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই ওই এলাকায় রক্তচন্দন কাঠের চোরাকারবার চলছে বলে খবর ছিল। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, সেইমতো ওইদিন খুব ভোরে, সকাল পাঁচটা নাগাদ চিত্তেরে কুম্বিং বা ব্যাপক তল্লাশি অভিযানে নামে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী৷ ওই অভিযান চলার সময় পুলিশের উপর আক্রমণ করে প্রায় ৮০ জন চোরাকারবারির একটি দল। পুলিশের তরফেও পালটা গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই খতম হয় ২০ জন পাচারকারী। ঘটনায় দুপক্ষের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালে তাদের ভরতি করা হয়৷ যদিও কোনও কোনও মহলে ভুয়া এনকাউন্টারের সন্দেহ জেগেছে এই কারণেই যে, টিভি নিউজ কভারেজে মৃতদের অনেকের পরনেই অন্তর্বাস ছাড়া কিছু দেখতে পাওয়া যায়নি৷ তার উপর একজনের হাত বাঁধা থাকার অভিযোগ উঠেছে৷

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I