লখনউ : করোনায় কাবু গোটাদেশ (India)। দিন যত যাচ্ছে ততই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে সংক্রমণের গ্রাফচিত্র। চারিদিকে শুধুই ত্রাহি ত্রাহি রব। আর কঠিন অবস্থায় এবার শ্মশান বা সমাধিস্থল থেকে মৃতদেহের(Dead Bodies) কাপড়, চাদর( Clothes) প্রভৃতি জিনিস চুরি করার অপরাধে ৭ জন চোরকে(Thief) গ্রেফতার করল পুলিশ।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar pradesh) ভাগপাত (Bhagapat) অঞ্চলে। পুলিশ জানিয়েছেন, করোনা আবহের মধ্যেই ধৃতেরা শ্মশান ও কবরস্থান থেকে মৃতদের (Dead bodies) ফেলে দেওয়া কাপড়, সাদা থান, বিছানার চাদর সহ অন্যান্য জামাকাপড় (Clothes) চুরি করত। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান অভিযুক্ত ওই ৭ জন চোরও (Thieves) করোনা সংক্রমিত(Coronavirus infected) হয়ে থাকতে পারে।

এদিকে ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানিয়েছেন, ধৃত ৭ জনের মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য। এই পেশার সঙ্গে তারা নতুন নয়। বিগত ১০ বছর ধরে চুপিসারে এই কাজই করে আসছিল তারা।

জানা গিয়েছে, শ্মশান বা সমাধিস্থলে মানুষের ভিড়ে মিশে গিয়ে মৃতদেহের সঙ্গে ফেলে দেওয়া জামাকাপড় চুরি করত ধৃতেরা। এরপর সেগুলি ভালো করে ধুয়ে পরিস্কার পরিছন্ন করে ‘গোয়ালিয়র কোম্পানির’ লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করে দিত। শুধু তাই নয়, এই কাজের জন্য শশ্মানের পাশে থাকা দোকানদারদের সঙ্গে তাদের চুক্তিও থাকত। কাজ বাবদ প্রতিদিন তারা ৩০০ টাকা মজুরিও পেত।

এদিকে স্থানীয় মানুষজনের অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার পুলিশ ধৃত ওই সাতজনকে হাতেনাতে ধরেন। অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫০০ টি বিছানার চাদর, ১২৭ টি কুর্তা এবং ৫২ টি সাদা থান বাজেয়াপ্ত করেছেন পুলিশ। এরপর তাদের বিরুদ্ধে মহামারী আইনে(Pandemic Act) মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশেও (Uttarpradesh) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ(Coronavirus Pandemic) ৷ এই অবস্থায় মারণ ব্যাধির দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে ফের কার্ফু(Curfew) জারির সময়সীমা বাড়িয়ে দিল যোগী প্রশাসন(Yogi Government)। করোনার চেন ভাঙতে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত যোগী রাজ্যে কার্ফু জারি থাকবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.