লখনউ : সাতসকালে ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পুন্যার্জনে বেরিয়ে বাসের চাকায় পিষ্ট এক পরিবারের সাতজন। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে গঙ্গাঘাট এলাকায়।

মৃত সাতজনের মধ্যে রয়েছে ৩ জন শিশু ও ৪ জন মহিলা। জানা গিয়েছে, মৃতেরা একই পরিবারের লোক। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে তাঁরা যোগী রাজ্যের হাথরাথের বাসিন্দা। একটি সূত্র জানাচ্ছে, এই পুন্যার্থীরা তাঁদের গ্রাম মোহনপুরা থেকে ৫৬ জনের একটি দলের সঙ্গে অক্টোবরের ৩ তারিখ যাত্রা শুরু করেছিল। গঙ্গা স্নানের পর এদিন তাঁরা বাড়ির উদ্দেশ্যেই ফিরছিল। আর সেখানেই ঘটল মর্মান্তিক ঘটনা।

জানা যাচ্ছে, ফেরার পথে তাঁদের বাস ড্রাইভার বিশ্রামের জন্য গঙ্গার পাশেই গান্ধীঘাটে বাস থামায়। তখন সময় রাত ২ টো ৫০ এর কাছাকাছি। ওই সাত জন বাস থেকে নেমে আসে এবং বিশ্রামের জন্য ফুটপাতেই শুয়ে পড়ে। বিপত্তি ঘটে ভোর ৪ টে নাগাদ। একটি প্রচণ্ড বেগে ধাবিত বাস পিষে দেয় ৭ জনকে। পুলিশের বক্তব্য, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৭ জনের। মৃতদেহগুলি ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর থেকেই বাস চালক নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনা ফের একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যোগীরাজ্যের ট্রাফিক ব্যবস্থার গলদ। রাত বাড়তেই যে হারে স্পীড ব্রেকিং হয়, তার ফলেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন অনেকে। অন্যদিকে অনেকে বলছেন, নিহতেরা ফুটপাতেই বা শুয়ে ছিল কেন ? ফুটপাত শোয়ার জায়গা নয়। এর পালটা উত্তরে অনেকে আবার বলছেন, ফুটপাত গাড়ি চালানোর জায়গাও নয়।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ফিরিয়ে আনছে সলমান খানের সেই গাড়ি দুর্ঘটনার কাণ্ডের স্মৃতি। সে সময় অনেকে দাবি করেছিলেন সলমান খানের গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ১ জনের, আহত ৪ জন। যদিও আদালতে বেকসুর খালাস পেয়েছেন ভাইজান।