নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে অক্সিজেন সংকট। দেশের একাধিক হাসপাতাল থেকে আসছে মৃত্যুর খবর। মঙ্গলবার কর্ণাটকের একটি হাসপাতালেও অক্সিজেনের অভাবে ৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। কালাবুর্গি ও বেলাগাভির দুটি হাসপাতাল থেকে এসেছে মৃত্যুর খবর।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকালে কালাবুর্গির একটি সরকারি হাসপাতাল থেকে ৪ জনের মৃত্যুর খবর আসে। তারপরই বেলাগাভির একটি সরকারি হাসপাতালে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। সবারই মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবে। কালাবুর্গি জেলার ইনচার্জ, মাইনিং অ্যান্ড জিওলজি মন্ত্রী মুরুগেস নিরানি অক্সিজেনের অভাবের প্রসঙ্গ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যে সব করোনা রোগী মারা গিয়েছেন তাঁদের অবস্থা ছিল গুরুতর। গত ২ দিনে চমরাজানগর জেলায় অক্সিজেনের অভাবে ২৪ জনের মৃত্যু হয়। তারপরই এল এখ খবর। যদিও বিরোধী পক্ষের নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমনত্রী সিদ্ধারামাইয়া মঙ্গলবার জানিয়েছেন, রবিবার সকাল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত ২৮ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ২৪ জনের নয়। মঙ্গলবার চমরাজানগরের হাসপাতালে পরিদর্শনে যান তিনি। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. কে সুধাকরের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

রবিবার মধ্য প্রদেশের বারুনি জেলা হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে একাধিক রোগীর মৃত্যু হয়। দিল্লির অন্যতম সেরা বেসরকারি হাসপাতাল বাত্রা হাসপাতালে ১২ জন করোনা রোগী ও চিকিৎসক মারা যান। তাঁদের অবস্থা ছিল গুরুতর। অক্সিজেনের অভাবেই তাঁরা মারা যান। দেশে ক্রমাগত অক্সিজেনের অভাবের কারণে প্রতিটি বিরোধী দলের তরফে রবিবার এই বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে দেশের সমস্ত হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার যেন অবিলম্বে সারা দেশে একটি বিনামূল্যে মাস ভ্যাকসিনেশন চালু করে। টিকা কর্মসূচির জন্য ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা প্রয়োজন। এই টাকা টিকাকরণের জন্য ব্যবহৃত হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.