নয়াদিল্লি : একের পর এক কম্পন। কখনও ইন্দোনেশিয়া, কখনও অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূল, কখনও জাপান। এবার জাপানের ফুকুশিমায় ভয়াবহ ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। ফুকুশিমার উপকূলে ৬০ কিলোমিটার গভীরে কম্পনের উৎসস্থল। কম্পনের তীব্রতা থাকলেও কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জাপান টাইমস জানাচ্ছে জাপানের সিসমিক ইনটেনসিটি স্কেলের বিচারে এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম কম্পন।

এদিন কেঁপে ওঠে তোহুকু রিজিয়নের মিয়াগি ও ফুকুশিমার বিস্তীর্ণ এলাকা। কম্পন অনুভূত হয় টোকিওতেও। স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১১.০৮ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। তবে উপকূলবর্তী এলাকার মানুষদের নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সাধারণ মাত্রার থেকে বড় ঢেউ উঠতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এদিকে, দিন কয়েক আগেই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব এলাকা। অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখন্ড থেকে পূর্ব দিকে অবস্থিত লর্ড হো দ্বীপে আছড়ে পড়তে পারে প্রবল সুনামি, এমনই সতর্কতা জারি করা হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা রিখটার স্কেলে ছিল ৭.৭।

প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে এমন তীব্র কম্পনে বেশ আশঙ্কায় ছিলেন আবহবিদরা। শুধু লর্ড হো দ্বীপই নয়, নিউজিল্যান্ড, নিউ ক্যালেডোনিয়া, ভানুয়াতুর মত বেশ কয়েকটি দেশেও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। নিউ ক্যালেডোনিয়ার পূর্ব দিকে ভাও থেকে ৪১৫ কিমি দূরে ও সমুদ্রপৃষ্ঠের ১০ কিমি গভীরে ছিল এই কম্পনের উৎসস্থল। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানায় ভূমিকম্পের পাঁচ ঘন্টার মধ্যেই সুনামি আছড়ে পড়তে পারে। ফিজি, নিউজিল্যান্ড ও ভানুয়াতুতে প্রায় ০.৩ মিটার থেকে এক মিটার উঁচু ঢেউ উঠতে পারে।

ওই এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। ফিজিতে ০.৩ মিটার উঁচু ঢেউ ওঠে বলে জানা যায়। অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অফ মেটারোলজি ট্যুইট করে জানায় সুনামি তৈরি হওয়া শুরু হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের উত্তরে অকল্যান্ডের পূর্ব প্রান্তে দ্য গ্রেট ব্যারিয়ার আইল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.