ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত জঙ্গি অনুপ্রবেশের তালিকা তৈরি করল কেন্দ্র৷ মঙ্গলবার সেই তালিকা লোকসভায় পেশ করা হয়৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হংসরাজ আহির এদিন বলেন এলওসি এবং আন্তর্জাতিক সীমানা বরাবর জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটেছে৷

তিনি আরও বলেন চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত মোট ৬৯ জন জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাতে সক্ষম হয়েছে৷ তবে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হয়েছিল ১৩৩ বার৷ বাকি গুলির প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে সফল হয়েছে সেনা৷
লোকসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য তুলে ধরেন হংরাজ আহির৷ তিনি বলেন ২০১৭ সালে জম্মু কাশ্মীরের সীমানা পেরিয়ে ১২৩ জন জঙ্গি ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল৷ সেবছর ৪০৬টি জঙ্গি অনুপ্রবেশের ব্যর্থ চেষ্টা হয়৷

রিপোর্ট অনুসারে, জম্মু কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম ও বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গিদের সাহায্য করছেন সাধারণ মানুষ বলে খবর রয়েছে৷ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷  মন্ত্রী আরও জানান, ২০১৪ সাল থেকে চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত ৬৯৪ জন জঙ্গি ও অনুপ্রবেশকারীকে পাকরাও করতে সক্ষম হয়েছে সেনা৷ অন্যদিকে ৩৬৮ জন জঙ্গি সন্দেহভাজনের তালিকায় রয়েছে৷

এর আগেই কাশ্মীরে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশে মদত জোগাচ্ছে পাকিস্তান৷ তার জেরে উপত্যকার শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত৷ তিনি জানান, কাশ্মীরে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশে মদত জোগানো বন্ধ করতে হবে পাকিস্তানকে৷

নাম করে তিনি পাকিস্তানের উদ্দেশে বলেন,‘‘পাকিস্তান যদি সত্যিই কাশ্মীরে শান্তি বজায় রাখতে চায় তাহলে প্রথম কাজ হবে জঙ্গি অনু্প্রবেশে মদত জোগানো বন্ধ করা৷ সীমান্তে এত ঘন ঘন সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করা হচ্ছে কারণ জঙ্গিদের মদত দেওয়ার জন্য৷ তারা যাতে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে তার জন্য পাক সেনা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে৷’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পাকিস্তান হেভি শেলিং করলে আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না৷ ভারতীয় সেনা পাল্টা জবাব দেয়৷ তবে শান্তি বজায় রাখতে গেলে এই গোলাগুলি বর্ষণ বন্ধ রাখতেই হবে৷’’