জেনেভা: ভয় ধরানো রিপোর্ট। রাষ্ট্রসংঘের অ্যানালেটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যানশন মনিটরিং টিম একটি সমীক্ষা করেছে। সেই সমীক্ষা জানাচ্ছে শুধু ভারত নয়, আফগানিস্তানেও সন্ত্রাস ছড়াতে মরিয়া পাকিস্তান। এই উদ্দেশ্যেই সাড়ে ছয় হাজার পাক জঙ্গি ঘাঁটি গেড়েছে আফগান ভূমিতে।

রিপোর্ট বলছে সেদেশে বাইরে থেকে আসা জঙ্গিদের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। এদের পরিচালনা করছে জইশ ই মহম্মদ ও লস্কর এ তৈবা। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে সন্ত্রাস ছড়ানো যে খুব সহজ ব্যাপার, তা অজানা নয় জঙ্গিদের কাছে। ফলে সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে তারা।

সন্ত্রাসবাদে রক্তাক্ত এই আফগান ভূমির ত্রিদেশীয় সীমান্ত এলাকা দেশটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই গত দুই দশকের বেশি। মূলত তালিবান জঙ্গি কব্জায় থাকা এলাকাটির দখল ও পুনর্দখল ঘিরে আফগান-মার্কিন যৌথ সেনা বারে বারে অভিযান চালিয়েছে। তবে কোনওবারেই সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তালিবান জঙ্গিরা যেমন দখলদারি চালাচ্ছে, তেমনই এই ৬৫০০ জঙ্গিও পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় হয়ে রয়েছে আফগানিস্তান জুড়ে।

এই রিপোর্টে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে আল কায়দার সঙ্গে যোগ রেখে পাক জঙ্গিরা সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও চিন্তার। এরই সঙ্গে মুখপাত্র জানান, ভারত দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের চারণভূমি। এই রিপোর্ট ভারতের সেই বক্তব্যতেই শিলমোহর দেয়।

রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট বলছে, তেহরিক ই তালিবান পাকিস্তান, জইশ ও লস্কর আফগানিস্তানের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কাছে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন। এই জঙ্গি সংগঠনগুলি মূলত পূর্ব আফগান প্রদেশে, যেমন কুনার, নানগারহার ও নুরিস্তানে সক্রিয়। তালিবানের সন্ত্রাসের ছাতার তলায় এরা একত্রে কাজ করে। এখানে জইশ ও লস্কর মূলত প্রশিক্ষকের কাজ করে। অস্ত্র পাচার, আর্থিক সাহায্য, জঙ্গিদের প্রশিক্ষিত করা ও আইইডি তৈরিতে সাহায্য করার কাজ করে এই দুই জঙ্গি সংগঠন।

এই নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির লক্ষ্য সরকারি আধিকারিক ও সরকারি সম্পত্তির ওপর হামলা চালানো। লস্করের ৮০০ ও জইশের ২০০ জন প্রশিক্ষিত জঙ্গি এই কাজে নিযুক্ত বলে জানাচ্ছে রিপোর্ট। তালিবানদের সাথে একত্রে কাজ করে মোহমান্দ দারাহ, দুরবাব ও সেরজাদ জেলায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।