নিউজ ডেস্ক: বিগত দফার ভোটগুলিতে চরম অশান্তির খবরে নড়েচড়ে বসল নির্বাচন কমিশন। ষষ্ঠ দফার ভটে ৬০২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ১১২ জন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ থাকবে বলে জানিয়ে দিলেন আইজি সিআরপিএফ এস রবীন্দ্রন।

সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের পাঁচটি দফা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে৷ আগামী ১২মে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন৷ তমলুক সহ বাংলার মোট আট কেন্দ্রে ষষ্ঠ দফায় চলবে ভোটগ্রহণ পর্ব। ইতিমধ্যেই গত পাঁচ দফায় বাংলায় মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন দাবি করলেও, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি। ভোটের বলিও হয়েছে একাধিক তরতাজা প্রাণ।

শীতলকুচি থেকে চোপড়া, জেমুয়া থেকে দুবরাজপুর, ধনেখালি থেকে বারাকপুর একের পর এক অশান্তি ছবি উঠে এসেছে। যদিও পঞ্চম দফায় ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রতি বুথে মোতায়েন ছিল বলে জানা যায়। বহিরাগতদের বুথ থেকে টেনে বের করার মতো পদক্ষেপও কড়া হাতে গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর এবার ষষ্ঠ দফায় এই বিক্ষিপ্ত অশান্তিও যাতে না ঘটে সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

ষষ্ঠ দফায় বাংলার তমলুক, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর, কাঁথি, ঝাড়গ্রাম, ঘাটাল, বিষ্ণুপুর এবং বাঁকুড়াতে চলবে ভোট গ্রহণ৷ আর এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলি নিয়ে প্রথম থেকেই উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। এদের মধ্যে তমলুকও রয়েছে নজরে। আর সেখানেই সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন করার জন্য এবং সেই সঙ্গে ভোটারদের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে রুট মার্চে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের আশদতলা,টেঙ্গুয়া,মহম্মদপুর, নীলপুর, বৈঁচবাড়ী, নায়াচক, সোনাচুড়া, গড়চক্রবেড়িয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় ও প্রত্যন্ত গ্রামের ভিতরে গিয়ে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এলাকার পথচলতি ও স্থানীয় লোকজনদের সঙ্গেও কথা বলে বাহিনী। যাতে ভয়-ভীতি না থাকে, ভোটকেন্দ্রে নির্ভয়ে ভোট দিতে যায় ভোটাররা সেই বিষয়ে নজর রাখছে তারা। কোন রাজনৈতিক দল ভয় দেখাচ্ছে কিনা সে বিষয়ে জানতে চান স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে। প্রয়োজনে সমস্ত রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ও বাহিনীর জওয়ানরা।