প্যারিস: করোনার জেরে থরহরি কম্পমান অবস্থা বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশের। একই অবস্থা ফ্রান্সেরও। ইতিমধ্যে ফ্রান্সে ৬০০-র বেশি সেনা করোনা আক্রান্ত ধরা পড়েছে। আতঙ্কে একপ্রকার কাঁপছে ফ্রান্স।

ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি শনিবার জানিয়েছেন, ‘পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে এবং আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।’ পাশাপাশি ৬০০ জনের বেশি করোনা আক্রান্ত হলেও সেনার ওপর তাঁর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

গত বৃহস্পতিবারে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক প্রথম জানায়, সাহেল অঞ্চলে তাঁদের চার সেনা সদস্যের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সংখ্যাই শনিবার ৬০০-এর সীমানা অতিক্রম করেছে।

অন্যদিকে ফ্রান্সে ইতিমধ্যে এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন ৬৪ হাজার মানুষ। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬৫০৭ জনের। সেরে উঠেছেন এমন মানুষ ১৪,০০০ জন।

সারা বিশ্বে পরিস্থিতি মারাত্মক ভয়াবহ। মোট ১১ লক্ষ ৮১ হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ লক্ষ ৪৪ হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৬৩ হাজার মানুষের।

করোনায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইউরোপ ও আমেরিকার। করোনায় বেশিরভাগ মৃত্যু হয়েছে এই দুই মহাদেশে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ইতালিতে; ১৪ হাজার ৭৮১ জন। ইউরোপের আরেক দেশ স্পেনের অবস্থান তারপরই। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৭৪৪ জনের।

ভারতে বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০০০, মৃতের সংখ্যা ৭৫।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.